শিরোনাম

নীলফামারী, ২৯ জুন ২০২৬ (বাসস) : জেলায় কমেছে তিস্তা নদীর পানি। আজ সোমবার (২৯ জুন) বিকেল ৩টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এর আগে, গতকাল রোববার উজানের ঢলে রাত ৮টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, গতকাল রোববার (২৮ জুন) রাত ৮টায় উজানের ঢলে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
তারপর থেকে পানি কমতে শুরু করলে আজ সোমবার সকাল ৬টায় বিপৎসীমা বরাবর পানি প্রবাহ ছিল। সকাল ৯টায় আরও কমে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার, বেলা ১২টায় ১৫ সেন্টিমিটার এবং বেলা ৩টায় ১৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। ওই পয়েন্টে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।
তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, গয়াবাড়ি, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
তবে দ্রুত পানি কমায় এসব গ্রাম থেকে পানি নেমে গেছে বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
জেলার ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে গতকাল রোববার গভীর রাত পর্যন্ত তার ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেশ্বর ও পূর্ব ছাতনাই গ্রামের নি¤œাঞ্চল প্লাবিত ছিল। আজ সোমবার পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ওই দুই গ্রাম থেকে পানি নেমে গেছে। স্বল্প সময়ে পানি নেমে যাওয়ায় তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন,‘উজানের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
তারপর থেকে পানি কমতে শুরু করলে আজ সোমবার বেলা ৩টা পর্যন্ত বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে’।