বাসস
  ০১ মে ২০২৬, ০১:১৩

১৪টি উড়োজাহাজ ক্রয়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তি স্বাক্ষর 

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ছবি: বাসস

ঢাকা, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী ১০টি ওয়াইড বডি (বি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার) এবং ৪টি ন্যারো বডি (বি ৭৩৭) উড়োজাহাজ ক্রয় করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম। বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিএনপি সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহার দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। 

তিনি জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে একটি অত্যাধুনিক ও যাত্রীবান্ধব এয়ারলাইন্স হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে বহরে আধুনিক প্রযুক্তির উড়োজাহাজ সংযোজন ছিল অত্যন্ত জরুরি। 

আজকের এই চুক্তির মাধ্যমে বিমান বহরে মোট ১৪টি অত্যাধুনিক উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। এ সময় তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, এই চুক্তি শুধু একটি বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন দিগন্তে পৌঁছে দেবে।

তিনি বলেন, ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের মাধ্যমে দেশের বিমান পরিবহন খাত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হলো।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদসহ বোয়িং এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।