শিরোনাম

ঢাকা, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : শোভাযাত্রা, বৃক্ষরোপণ ও রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনসহ নানান আয়োজনে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ২৯তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি-ব্লকে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বিএমইউর ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। র্যালিটি বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয় এবং সেখানে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
র্যালিপূর্ব সমাবেশে অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর চিকিৎসাশিক্ষা কার্যক্রম, চিকিৎসাসেবা ও গবেষণায় বিএমইউকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পাশাপাশি উৎকর্ষ বৃদ্ধির অঙ্গীকার করেন এবং উদ্ভাবনেও নতুন মাত্রা যোগ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দেশের মানুষ যাতে জটিল রোগসহ সব ধরনের চিকিৎসাসেবা বিএমইউ থেকে পায় এবং চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে না হয়, সেই আশাবাদও ব্যক্ত করেন।
সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিএমইউর প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, প্রো-ভিসি (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।
বিএমইউ প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদের পক্ষে সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ডা. রিফাত রহমান বৃক্ষরোপণ করেন। পরে সেখানে বিএমইউর ফ্যাকাল্টি, চিকিৎসক, রেজিস্ট্রার অফিস, পরিচালক (হাসপাতাল) অফিস, জনসংযোগ শাখা ও মিডিয়া সেলসহ বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এ সময় আম্রপালি, জলপাই, বারি ফোর আম, আমড়া, বারি এগারো আম, নারিকেল, লিচু, কালোজাম, আমলকী, ডালিম ও মিনি জামরুলের মতো ফলজ বৃক্ষরোপণ করা হয়।
১৯৯৮ সালের ৩০ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি অনুষদ ও ৫৯টি একাডেমিক বিভাগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনবল সংখ্যা ৪ হাজার ৫ শত ৬৮ জন। অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫৫টি। আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ হাজার ১৬১ জন। হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ১ হাজার ৭৯২টি, এর মধ্যে বিনা ভাড়ার শয্যা সংখ্যা ৮৭৮টি।
দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন উড়ানো হয়।