শিরোনাম

ঢাকা, ১২ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত (মেধা ও সাধারণ) শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ সরাসরি ব্যাংক হিসাবে (জিটুপি পদ্ধতি) প্রেরণের লক্ষ্যে তথ্যের ভুল সংশোধন ও নতুন তথ্য এন্ট্রির সময়সীমা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
আজ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) ড. কে এম শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের তিনটি সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত রাজস্ব খাতভুক্ত এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে দাখিল-২০২৪ ও ২০২৫ এবং আলিম-২০২৩ ও ২০২৪ পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের তথ্য এমআইএস সফটওয়্যারে হালনাগাদ করতে হবে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, অনেক মাদ্রাসার তথ্য এন্ট্রিতে ভুল রয়েছে এবং কিছু শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে ইতঃপূর্বে প্রেরিত অর্থ ‘বাউন্স ব্যাক’ হয়েছে। এছাড়া কারিগরি ত্রুটির কারণে অনেক আবেদন ভুল লিংকে চলে যাওয়ায় এই সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদের ক্ষেত্রে কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন তফসীলভুক্ত ব্যাংকে শিক্ষার্থীর নিজ নামে ১৩-১৭ ডিজিটের ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে; শিক্ষার্থীর নাম ও ব্যাংক হিসাবের নাম অভিন্ন হতে হবে; মাদ্রাসা থেকে বৃত্তি পেয়ে যারা বর্তমানে মাদ্রাসা, স্কুল বা কলেজে অধ্যয়নরত, তাদের অবশ্যই নির্দিষ্ট লিংকে (dme.finance.gov.bd) আবেদন করতে হবে; কোনো অবস্থাতেই আবেদন যেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) লিংকে না যায়, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে; আবেদন করার পর যারা ‘রিভিউ’ দেখতে পাননি, তাদের পুনরায় আবেদন করতে হবে।
আদেশে আরও জানানো হয়, আগামী ৩১ মার্চ বিকাল ৫টার মধ্যে এমআইএস অনলাইন সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রি ও ভুল সংশোধনের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তথ্য প্রেরণের ক্ষেত্রে কোনো ভুল বা অনিয়ম হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকবেন বলে সতর্ক করা হয়েছে। তবে জেডিসি ও ইবতেদায়ী পর্যায়ের বৃত্তিপ্রাপ্তদের আবেদনের বিষয়ে পরবর্তীতে নির্দেশনা প্রদান করা হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।