বাসস
  ১০ মার্চ ২০২৬, ২১:১৮

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ নির্বাচন : আপিল হয়নি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ মার্চ

ঢাকা, ১০ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন এবং শূন্য ঘোষিত বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আপিল আবেদন জমা পড়েনি। ফলে বাছাইয়ে টিকে যাওয়া মোট আটজন প্রার্থীই আপাতত নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদনের শেষ সময় নির্ধারিত ছিল। এ সময়ের মধ্যে কোনো আপিল জমা না পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইন শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনের সাধারণ নির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম থেকে মো. মাসুদুর রহমান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলে (মার্কসবাদী) থেকে একজন করে প্রার্থী এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

অন্যদিকে শূন্য ঘোষিত বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এই আসনে বিএনপি থেকে মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং জামায়াতে ইসলামী থেকে মো. আবিদুর রহমান প্রার্থী হয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির একজন প্রার্থীও নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

গত ৫ মার্চ এই দু’টি আসনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর ৬ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত আপিল দাখিলের জন্য সময় নির্ধারণ করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী আপিল করেননি।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আগামী ১৪ মার্চ এবং ১৫ মার্চ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই দু’টি আসনের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে নির্বাচন কমিশন।