বাসস
  ১০ মার্চ ২০২৬, ১৯:৩৭

‘এসি চালানো শিখতে ৮ কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

ঢাকা, ১০ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : সম্প্রতি দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় প্রকাশিত ‘এসি চালানো শিখতে আট কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

আজ মঙ্গলবার গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়, দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও অসত্য। 

এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন  করছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের তথ্য বিকৃত প্রতিবেদন না করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় প্রকৃত তথ্য হচ্ছে যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ‘এস্টাব্লিশমেন্ট অব কমপ্লিট ক্যান্সার, কিডনি এন্ড হার্ট ট্রিটমেন্ট সেন্টার ইন এইট ডিভিশনাল সিটি’ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় হিটিং ভেল্টিলেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইউএসএ’র ডুনহাম-বুশ থেকে সরবরাহ করা হবে। 

এ লক্ষ্যে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গণপূর্ত অধিদপ্তরের চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডুনহাম-বুশ কর্তৃক আয়োজিত বিশেষ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে আট কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। 

এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লদ্ধ জ্ঞান পরবর্তীতে মাঠ পর্যায়ে রক্ষণাবেক্ষণ কাজে সহায়ক হবে।   

প্রশিক্ষণের ব্যয়ভার যুক্তরাষ্ট্রের ডুনহাম-বুশ কর্তৃক বহন করা হবে বিধায় বাংলাদেশ সরকারের কিংবা চুক্তিবদ্ধ কোন প্রতিষ্ঠানের এতে আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নেই।

ট্রেনিংয়ে ডুনহাম-বুশ যে সকল মালামাল ও যন্ত্রাংশ সরবরাহ করবে, সে সকল যন্ত্রাংশের ওপর বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ অর্থাৎ সেইফটি ফেসিলিটিস, অপারেশন এন্ড মেইনটেন্যান্স ম্যানেজমেন্টসহ নানা বিষয়ে অর্জিত জ্ঞান মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নলেজ শেয়ারিং এর মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তর উপকৃত হবে এবং সরবরাহকৃত মেশিন বা যন্ত্রাংশসমূহ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সহায়ক হবে। 

প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে। বিবেচ্য হাসপাতাল নির্মাণের ক্ষেত্রে পূর্ত কাজ বাস্তবায়ন শেষ পর্যায়ে। 
এইচভিএসি সিস্টেমস সরবরাহ করা হলে হাসপাতালের পূর্ণতা পাবে। সার্বিকভাবে প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হলে জনগণ আধুনিক সেবা পাবেন।