বাসস
  ১০ মার্চ ২০২৬, ১৫:১৬

শরীয়তপুরে তেল নিয়ে তেলেসমাতি 

ছবি: বাসস । ছবি: বাসস

শরীয়তপুর, ১০ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : জেলার পেট্রল পাম্পগুলোতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মোতাবেক রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল, ডিজেল, পেট্রল,অকটেন, কেরসিন সরবরাহ চালু থাকলেও এতে নানা কারসাজি হচ্ছে। 

পাম্পগুলো তাদের পরিচিত ক্রেতাদের নির্দিষ্ট পরিমাণের চাইতে বেশি তেল সরবরাহ করছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। 

প্রত্যক্ষদর্শী, প্রাইভেট কার চালক আরিফ বিশ্বাস বলেন, ‘আমি নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল নিতে হিমশিম খাচ্ছি, 

অথচ পাম্পের সাথে সখ্যতা আছে তারা নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে চাইতে বেশি তেল নিচ্ছেন এবং একাধিক বা নেয়া সুযোগ পাচ্ছেন’। পাম্পের সাথে সখ্যতার বাইরে থাকা ক্রেতারা নানা ছলচাতুরি করে অতিরিক্ত তেল গ্রহণ করে তা মজুদ করে রাখছেন। একই যানবাহনকে চালক একাধিকবার তেল গ্রহণ করতে দেখা গেছে। এ সম্পর্কে ভেদরগঞ্জ উপজেলার কার্তিকপুর বাজারের রুদ্র রহমান বাসস’কে বলেন, ‘আমি শরীয়তপুর সদরের গ্লোরী ফিলিং স্টেশন থেকে আমার মোটরবাইকে গত দু’দিনে তিনবার তেল নিয়ে রেখেছি, যা দিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ সচল থেকে যাবে’। এ নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সার্বিক প্রসঙ্গে জেলা শহরের মনোহর বাজার আব্দুল জলিল ফিলিং স্টেশনের সহকারী ম্যানেজার আলমগীর হোসেন বলেন, আমরা অকটেন দেয়া বন্ধ রেখেছি। পেট্রল ডিজেল দিয়ে যাচ্ছি তবে তার মজুত শেষ হয়ে আসছে। গাড়ি আসলে আমরা রেশনিং পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানি দিয়ে থাকি। কে কিভাবে এর ব্যত্যয় ঘটে তা দেখা মুশকিল। একই প্রসঙ্গে শরীয়তপুর বাস স্ট্যান্ডের গ্লোরি ফিলিং স্টেশন এর সহকারী ম্যানেজার মেহেদী হাসান বলেন, আমরা অকটেন ডিজেল পেট্রল রেশনিং পদ্ধতিতে সরবরাহ করে যাচ্ছি। সবকিছু দেখভাল করে আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছে না।

এদিকে ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট জেলায় অবস্থিত পেট্রল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করে যাচ্ছেন। তবে পাম্পগুলোতে গাড়ির ভীড় দেখা যাচ্ছে না।