শিরোনাম

খুলনা, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ (বাসস): খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) তে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে গতকাল শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বাণী অর্চনা (সরস্বতী পূজা) উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সকালে বিশ্ববিদ্যালয় মন্দির প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.মো. হারুনর রশীদ খান আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এখানে সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করে আসছে। প্রত্যেক ধর্মই মানুষকে নিজের ধর্ম পালনের পাশাপাশি অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায়।
উপ-উপাচার্য বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে প্রতিবছর বাণী অর্চনা উদ্যাপিত হয়ে আসছে। ভবিষ্যতেও এই সম্প্রীতি অটুট থাকবে বলে আশা করি।
প্রফেসর ড.মো. হারুনর রশীদ খান অনুষ্ঠানে বাণী অর্চনা, উদ্যাপন কমিটি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের মাধ্যমে প্রকাশিত স্মরণিকা ‘পঞ্চমী’ এর মোড়ক উন্মোচন করেন।
এর আগে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাণী অর্চনা উদ্যাপন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্দিরে বিগ্রহ স্থাপন, দেবীর আমন্ত্রণ, দেবীর বরণ, ষোড়শোপচারে পূজা নিবেদন, পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন, রাজভোগ নিবেদন, হোমযজ্ঞ, প্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় মন্দির কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদারের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন, মন্দির কমিটির সহ-সভাপতি ও স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক গৌরী শংকর রায় ও শিক্ষার্থী হৃতিক বিশ্বাস। স্বাগত বক্তৃতা করেন মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর কুমার সাহা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আমন্ত্রণপত্র ও প্রচার উপ-কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. তুহিন রায়। এ সময় বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।