বাসস
  ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:৩০

খুলনায় তামাক বিরোধী অভিযানে জরিমানা

গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ (শিক্ষা ও আইসিটি) এর তত্বাবধায়নে তামাক বিরোধী পৃথক অভিযানে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ছবি : বাসস

খুলনা, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ (বাসস): জেলায় তামাক বিরোধী পৃথক অভিযানে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। 

গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ (শিক্ষা ও আইসিটি) এর তত্বাবধায়নে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

সোনাডাঙ্গা থানা ও খুলনা থানার আওতাধীন খুলনা মেডিকেল কলেজ এলাকা এবং নিরালা আবাসিক এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়। 

এসময় তামাকজাত দ্রব্যের অবৈধ বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা চালানোর দায়ে মো. রকিবুল ইসলাম (২৮) এবং অরিত হাসান (২৪) নামে দুইজনকে ৪০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা ও মো. রাশেদ ব্যাপারীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া পৃথক অভিযানে নাসিমা ট্রেডার্সের মো. জাহিনুর রহমানকে (৩৫) সিগারেটের কার্টুনে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী না থাকার অপরাধে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত মোবাইল ট্যাবসহ অন্যান্য প্রচার উপকরণ জব্দ করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সংশ্লিষ্টরা জানান, আইন অনুযায়ী তামাকজাত দ্রব্যের সব ধরনের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে জানানো হয়।

খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান আরিফ, মো. মেহেদী হাসান ও মো. জাকারিয়া। 

প্রসিকিউটর হিসেবে এসময় উপস্থিত ছিলেন সোনাডাঙ্গা থানার এস আই মৃগেন্দ্রনাথ সরকার ও খুলনা সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় পুলিশ ও জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য কাজী মোহাম্মদ হাসিবুল হক সহযোগিতা করেন।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।