বাসস
  ০৯ মার্চ ২০২৬, ২১:০৪

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সভায় আজ প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ৯ মার্চ, ২০২৬ (বাসস): শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। 

তিনি বলেন, এ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভায় আজ সোমবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘শিক্ষাকে মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের করে এনে সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ও বাস্তব দক্ষতা উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য। গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের যৌথ গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সংস্কার গ্রহণ করা হবে।’

সভায় জানানো হয়, দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগাতে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কর্মক্ষম যুব জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি, প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিএনপির শিক্ষানীতির আলোকে শিক্ষা খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। 

সভায় আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায় থেকে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু এবং সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে মিড-ডে মিল ও শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। 

এছাড়া সভায় মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক করতে আইটি ও বিজ্ঞান শিক্ষার অন্তর্ভুক্তির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। 

সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।