শিরোনাম

ময়মনসিংহ,(বাকৃবি) ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘দূরত্ব যতই হোক, ভালোবাসা থাকে অটুট’ এই বার্তা ধারণ করে ওই ব্যাচের দুই দিনব্যাপী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে।
আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাড প্রাঙ্গণে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। এরপর শুরু হয় বর্ণাঢ্য র্যালি। র্যালিটি হেলিপ্যাড থেকে যাত্রা শুরু করে বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন এলাকা ঘুরে কেআর মার্কেট প্রদক্ষিণ করে সমাবর্তন চত্ব্রে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে অংশ নেন ওই ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। যাদের অনেকের সঙ্গেই ছিল তাদের পরিবার। হাসি, কোলাহল আর স্মৃতিচারণে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। পুরোনো দিন, পুরোনো বন্ধু আর চেনা ক্যাম্পাস।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এর ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা।
পুনর্মিলনীতে অংশ নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন মাসুদ নামের এক সাবেক শিক্ষার্থী । তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পরীক্ষা আর ভাইভাগুলোর স্মৃতি আজও আমাকে আবেগাপ্লুত করে। ভাইভায় ভুল বলার ভয়, শিক্ষকদের বকা সবই আজ গর্বের স্মৃতি। আমরা সবসময় আমাদের শিক্ষকদের কাছে কৃতজ্ঞ। তাদের অবদান ছাড়া আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব হতো না।
অনুষ্ঠানে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন,এই পুনর্মিলনী ক্যাম্পাসে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়া মানেই স্মৃতির ভেতর ফিরে যাওয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তবে সবাইকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানাই।
ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বলেন,গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হলেও আজকের আয়োজনটি ব্যতিক্রম। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে নীয়ন আলোর সাজ পুরো ক্যাম্পাসকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। কেউ যেন কোনো নেতিবাচক স্মৃতি নিয়ে না যান, সেটি নিশ্চিত করতেই আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি।