বাসস
  ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:৫৬

নির্বাচনে সন্ত্রাস ও জালভোট রোধে ব্যবস্থা গ্রহণে ইসির পরিপত্র

ঢাকা, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ ও জালভোট প্রদান রোধে ব্যবস্থা গ্রহণে পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এতে বলা হয়েছে, মিথ্যা পরিচয়ে ভোটদান, অপহরণ, বল প্রয়োগ কিংবা সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র বা শক্তি প্রদর্শন বা প্রয়োগ, ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ক্যানভাস, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, অবৈধ হস্তক্ষেপ, ভোটগ্রহণের গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ ইত্যাদি বেআইনী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 

আজ বৃহস্পতিবার ইসি সচিবালয়ের উপসচিব নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর যথাশীঘ্র সম্ভব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণকে বৈঠকে যোগদানের জন্য আহবান জানাতে হবে এবং বৈঠকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনি এজেন্ট ও পোলিং এজেন্টগণকে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর আলোকে তাদের করণীয় দায়িত্ব-কর্তব্য ও নির্বাচনি আইন বিধিমালা অনুসরণ ও পরিপালন, নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎস ও নির্বাচনি ব্যয়ের বিবরণী যথাসময়ে দাখিল নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, ভীতি প্রদর্শন, বল প্রয়োগ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যাদির ব্যবহার রোধকল্পে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আলোকপাত করবেন।

সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ এবং জালভোট প্রদান রোধকল্পে সহযোগিতা: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের যাবতীয় কার্যাবলী সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে দুর্নীতিমূলক অপরাধ, বেআইনী আচরণ, উৎকোচ গ্রহণ, মিথ্যা পরিচয়ে ভোটদান, অপহরণ, বল প্রয়োগ কিংবা সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র বা শক্তি প্রদর্শন বা প্রয়োগ, ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ক্যানভাস, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, অবৈধ হস্তক্ষেপ, ভোটগ্রহণের গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ ইত্যাদি বেআইনী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 

কোনো মহল বা ব্যক্তি দ্বারা যাতে উল্লিখিত অপরাধমূলক কার্যকলাপ কোনক্রমেই সংঘটিত না হয়, সে উদ্দেশ্যে নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগণকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করতে এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণকে অনুরোধ জানাবেন। সে সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৩ থেকে অনুচ্ছেদ ৮৭ পর্যন্ত বর্ণিত অপরাধমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে যে সমস্ত শাস্তির বিধান ও করণীয় রয়েছে তাও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করবেন।