বাসস
  ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩:২৫

বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে বাউবিতে শোকসভা

ছবি: বাসস

ঢাকা, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) প্রতিষ্ঠাতা চ্যান্সেলর বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভার আয়োজন করেছে বাউবি। 

বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অডিটোরিয়ামে এই শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাউবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে শোকসভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এ বাশার। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম। 
আরও বক্তব্য দেন সামাজিক বিজ্ঞান, মানবিক ও ভাষা স্কুলের অধ্যাপক তানভীর আহসান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুলের অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব, মিডিয়া বিভাগের পরিচালক শরীফ মোঃ শাহাবুদ্দীন, প্রশাসন বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক মোহাম্মদ ছালাহ্উদ্দিন ভূঁইয়া এবং কর্মচারীদের মধ্য থেকে মোঃ হুমায়ুন কবির বাদশা।

শোকসভাটি সঞ্চালনা করেন বাউবির রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মোঃ আনিছুর রহমান।

ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম জিয়ার দৃঢ় নেতৃত্ব, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে দূরদর্শী ভূমিকা এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তাঁর ঐতিহাসিক অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। 

তিনি আরও বলেন, ক্ষমতা ও উচ্চ অবস্থানে থেকেও বেগম খালেদা জিয়ার মধ্যে কখনও অহংকার, প্রতিহিংসা কিংবা প্রতিশোধপরায়ণতার প্রকাশ দেখা যায়নি। বিনয়, সহনশীলতা ও মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসাই ছিল তাঁর নেতৃত্বের মূল শক্তি। ভিন্নমত ও ধারার মানুষরাও তাঁর ব্যক্তিত্ব ও মানবিক গুণাবলির প্রশংসা করেছেন। এই গুনাবলীই তাকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

বাউবি উপাচার্য বলেন, দেশ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় খালেদা জিয়ার অবদান এবং মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা তাকে কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী নয়, জাতীয় ঐক্যের প্রতীকে পরিণত করেছে। বেগম জিয়ার আদর্শ ভবিষ্যত প্রজন্মকে পথ দেখাবে। 

সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এ বাশার বলেন, যার নিজের সম্মান আছে, সেই অন্যকে সম্মান করতে পারে। বেগম খালেদা জিয়া নিজেকে যেমন সম্মান করতেন, তেমনি মানুষ, দেশ ও জাতিকেও গভীরভাবে সম্মান করতেন। তিনি একজন মহীয়সী নারী এবং বিরল ব্যাক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। 

তিনি আরও বলেন, বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতকালে ধৈর্য্য, মনন ও দর্শনকে উপলব্ধি করেছি। দলমত, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে তিনি সবাইকে সম্মান দিয়েছেন। মানুষের প্রতি এই শ্রদ্ধা ও মর্যাদাবোধের কারণেই মৃত্যুর পরও তিনি দেশ ও বিশ্ববাসীর কাছ থেকে ব্যাপক সম্মান লাভ করেছেন।