বাসস
  ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:০৮

কক্সবাজার বিমানবন্দরে বিমান নিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): বিমান চলাচল নিরাপত্তায় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে আজ কক্সবাজার বিমানবন্দরে ‘এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি এক্সারসাইজ ২০২৬’ শীর্ষক একটি পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইকাও)-এর মানদণ্ড ও সুপারিশকৃত চর্চা এবং জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্মসূচি অনুসরণ করে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল বিমান ছিনতাই ও বোমা হামলার মতো সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আইকাও নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি বিমানবন্দরকে অন্তত প্রতি দুই বছরে একবার এ ধরনের নিরাপত্তা মহড়া আয়োজন করতে হয়।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র‌্যাব, কক্সবাজার জেলা পুলিশ, এপিবিএন, আনসার, সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা দল এবং বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মহড়ায় অংশগ্রহণ করে।

বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তাফা মাহমুদ সিদ্দিকী প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মহড়া পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি মহড়ায় অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের মহড়া দুর্বলতা চিহ্নিত করতে এবং যাত্রী নিরাপত্তা ও সেবায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে আন্তঃসংস্থাগত সমন্বয় জোরদার করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, সফলভাবে অনুষ্ঠিত এই মহড়া সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন, যা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সাড়াদানের সক্ষমতা বাড়াবে।

২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগের ফলে সেদিনই রাত ৯টার মধ্যে বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছিল।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ ধরনের মহড়া আসন্ন আইকাও নিরাপত্তা অডিটের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে সম্প্রসারণ এবং একটি নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনাল নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

এ সময় বেবিচক সদস্য (অপারেশনস ও পরিকল্পনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খান এবং বেবিচক সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর মো. আসিফ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।