বাসস
  ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:১৪

শীতে জবুথবু শরীয়তপুর

ছবি: বাসস

শরীয়তপুর, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): প্রচণ্ড শীত, ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় শরীয়তপুরের জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। পৌষের শুরু থেকেই শীতের তীব্রতা ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে কুয়াশায় আবৃত আকাশে সূর্যের মুখ খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। তীব্র শীতের কারণে জেলায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। 

শীত উপেক্ষা করে অনেকে কাজে যেতে পারছেন না। এতে আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে অনেকে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। শীতের কারণে শীতকালীন সবজি ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া জেলেরা নদীতে মাছ ধরতে পারছেন না।

সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা না নামতেই শীত জেঁকে বসে। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ঘরমুখো হয়ে যায়। রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে। দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ হয়ে যায়। রাতের আকাশ কুয়াশায় ঢাকা পড়ে। শীতবস্ত্রের অভাবে ছিন্নমূল মানুষেরা নিদারুণ কষ্টে দিন পার করছেন। 

এদিকে শীতজনিত রোগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। বয়স্ক ও শিশুরা ঠান্ডা, কাশি, সর্দি জ্বর, নিউমোনিয়াসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতালগুলো রোগীর চাপ বাড়ছে। চিকিৎসকরা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।  

নদীবেষ্টিত এই জেলায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি। দুর্যোগময় এই মুহূর্তে শীতার্ত মানুষের জন্যে সরকারি বেসরকারি যে সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

যদিও ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে জেলার জন্য ৫ হাজার কম্বল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আরও ৩ হাজার কম্বল জেলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা।