বাসস
  ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭:৪৮

নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক ও ইরাসমাস চুক্তি

সোমবার নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সঙ্গে তুরস্কের দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়। ছবি : বাসস

নোয়াখালী, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ (বাসস): নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সঙ্গে তুরস্কের দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

স্বাক্ষরিত বিশ্ববিদ্যালয় দুটি হলো, ইস্তাম্বুল নিশানতাসি ইউনিভার্সিটি এবং এসকিসেহির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি। এছাড়াও এসকিসেহির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে ইরাসমাস প্লাস প্রোগ্রামের আওতায় নোবিপ্রবির প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

নোবিপ্রবি ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশান এন্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের আয়োজনে আজ সোমবার উপাচার্য দপ্তরে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 

নোবিপ্রবির পক্ষে সমঝোতা স্মারক ও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। অন্যদিকে ইস্তাম্বুল নিশানতাসি ইউনিভার্সিটির পক্ষে স্বাক্ষর করেন, রেক্টর অধ্যাপক ড. আয়েগুল কমসুয়োগলু কিসিপিটিয়োগলু। এসকিসেহির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর অধ্যাপক ড. আদনান ওজকান।

এ অনুষ্ঠানে নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, আমি তুরস্কের এসকিসেহির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির রেক্টর অধ্যাপক ড. আদনান ওজকানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি অংশীদার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বেছে নিয়েছেন। 

তিনি বলেন, নোবিপ্রবির সঙ্গে ইরাসমাস চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য আমি ইরাসমাস প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়কারী এবং এসকিসেহির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক অফিসের প্রধান প্রফেসর ড. জেহরা ওজতুর্কের প্রতিও কৃতজ্ঞ।

উপাচার্য আরও বলেন, ইস্তাম্বুল নিশানতাসি ইউনিভার্সিটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে পারস্পরিক বিনিময় এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হলো।     

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নোবিপ্রবি ও তুরষ্কের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে কাজ করলে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ই উপকৃত হবে। এর মাধ্যমে নোবিপ্রবির গবেষকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে গবেষণামূলক কাজ সম্পাদনের দ্বার উন্মুক্ত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, রিসার্চ সেল পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান, ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশান এন্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. রোকনুজ্জামান সিদ্দিকী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী এবং ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশান এন্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. খালেদ মেহেদী হাসানসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।