বাসস
  ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:০৮

সব ধর্মাবলম্বীর সমঅধিকার নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : ধর্মমন্ত্রী

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। ফাইল ছবি

সংসদ ভবন, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশে বসবাসরত সব সম্প্রদায়ের নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

আজ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন-২০-এর সরকারি দলের সদস্য সুবর্ণা সিকদারের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য সুবর্ণা সিকদার তার প্রশ্নে উল্লেখ করেন যে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানা জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে ট্রাস্টের সীমিত রাজস্ব ও তহবিল দিয়ে সারা দেশে এ কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনা করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে। তিনি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের স্থায়ী তহবিল ও সরকারি অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে কি না, তা জানতে চান।

জবাবে ধর্মমন্ত্রী হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অবকাঠামোগত ও সেবামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করতে অদূর ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ও সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন।

তিনি জানান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের বর্তমানে প্রায় ১০০ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট) রয়েছে। উক্ত আমানত থেকে অর্জিত মুনাফা ও প্রাপ্ত অর্থ নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও অনুদানে ব্যয় করা হয়।

ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, ট্রাস্টের নিজস্ব তহবিলের বাইরেও সরকার প্রতি অর্থবছরে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে সরাসরি মন্দির পরিচালনা, সংস্কার ও শ্মশানঘাট উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিয়ে আসছে।

তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনারা ধৈর্য ধরুন, আগামী দিনগুলোতে ধর্মীয় কল্যাণমূলক অনুদান ও ব্যবস্থাপনায় আরও সুদৃঢ় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ধর্মমন্ত্রী যোগ করেন, সরকার সব সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সমঅধিকার ও সুষম সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের সব ধর্মের উপাসনালয় ও কল্যাণে সরকারের আর্থিক ও প্রশাসনিক সহায়তার ধারা অব্যাহত থাকবে।