শিরোনাম

সংসদ ভবন, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস): গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি ২০২০) এবং ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০২৫ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশব্যাপী ভূমিকম্প-সহনশীল নির্মাণ নিশ্চিত করতে সরকার ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে।
আজ সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিএনবিসি ২০২০ অনুযায়ী বর্তমানে সারাদেশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আওতায় ভবনের নকশা অনুমোদন এবং নির্মাণ তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এসব কর্তৃপক্ষের মধ্যে রয়েছে রাজউক, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ), গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (জিডিএ), কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কক্সডিএ), পাশাপাশি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং জেলা পর্যায়ের বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কমিটিসমূহ।
মন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার বাইরে দেশের অন্যান্য এলাকায় বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কমিটি (বিসি কমিটি) গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এসব কমিটির প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে সংশ্লিষ্ট জেলার গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দায়িত্ব পালন করছেন।’
তাহের বলেন, এসব কমিটি ভবনের নকশা অনুমোদন এবং নির্মাণের প্রতিটি ধাপে মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি আরও জানান, বিসি কমিটির আওতাধীন ভবনগুলোর কাঠামোগত নকশা গণপূর্ত বিভাগ দ্বারা যাচাই করা হয়, যাতে ভূমিকম্প সহনশীলতা নিশ্চিত করা যায়।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনবিসি ২০২০-এর পার্ট-২, অধ্যায়-২ অনুযায়ী সারাদেশে বিল্ডিং কোডের পূর্ণ বাস্তবায়ন ও তদারকি নিশ্চিত করতে চলতি বছরের (২০২৬) ১০ এপ্রিল বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি অথরিটি (বিবিআরএ) আইন পাস করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিবিআরএ গঠনের পর নির্মাণ সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের জন্য লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালু করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘লাইসেন্সপ্রাপ্ত পেশাজীবীরা নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণ তদারকির দায়িত্ব পালন করলে সব পর্যায়ে ভূমিকম্প-সহনশীল ভবন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’