শিরোনাম

ঢাকা, ১৮ মে, ২০২৬ (বাসস) : রাজশাহী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এনামুল হক (৫৫) ও তার স্ত্রী তহুরা হকের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এনামুল হকের আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি এনামুল হক সংসদ সদস্য থাকা অবস্থায় জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ২৩ কোটি ২৭ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন এবং নিজ ও প্রতিষ্ঠান নামীয় বাইশটি ব্যাংক হিসাবে সর্বমোট ২২ কোটি ১৫ লাখ টাকা সন্দেহজনক লেনদেন করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির ২০০৮-২০০৯ হতে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত মূল আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করা প্রয়োজন।
তহুরা হকের আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি তহুরা হক কর্তৃক স্বামী এনামুল হকের ক্ষমতা ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দুইটি ব্যাংক হিসাবে মোট জমা ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা ও মোট উত্তোলন ১ কোটি ৬৭ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
একইসঙ্গে আসামি এনামুল হক পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রী তহুরা হককে ৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তা করায় দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামি তহুরা হকের ২০০৮-২০০৯ হতে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত মূল আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করা প্রয়োজন।