শিরোনাম

ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার বলেছেন, তিনি আশা করছেন মিশর আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেবে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এ চুক্তি স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে।
শুক্রবার সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোকে জড়িয়ে ফেলেছে এবং হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরে নৌ চলাচল ব্যাহত করছে।
চলমান এই যুদ্ধ ইরান ও ইয়েমেনের হুথি মিত্রদের আরও সাহসী করে তুলেছে। তারা সৌদি আরবে হামলা চালিয়েছে এবং গত মাসে একটি ড্রোন মিশরের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে মার্কিন সম্পদে আঘাত হানে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি আশা করছেন মিশর ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’-তে যোগ দেবে। তিনি মিশরকে ‘সব বিষয়ে স্বাভাবিক অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, পরবর্তী ধাপে মিশরও আমাদের সঙ্গে থাকবে। আমরা ইতোমধ্যে একে অপরের সঙ্গে এমনভাবে কাজ করছি যেন আমরা জোটের সদস্য।
ফিদান জানান, কিছু কারিগরি বিষয় রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে মিশরের যোগদানে কোনো বাধা থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, এ চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয়। আমরা কোনো সাধারণ হুমকি লিখিতভাবে উল্লেখ করিনি।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানায়, এ চুক্তি অনুযায়ী কোনো সদস্যের ওপর হামলা হলে তা সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। এর উদ্দেশ্য ‘সমষ্টিগত প্রতিরোধ শক্তিশালী করা’।
সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, এ চুক্তি ‘এই অঞ্চলে স্থায়ী স্থিতিশীলতা আনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’। জোট আরো সম্প্রসারিত হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।