বাসস
  ০৫ জুন ২০২৬, ১৪:১৩

কিউবার প্রেসিডেন্ট ও কাস্ত্রো পরিবারের সদস্যদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা, ৫ জুন, ২০২৬ (বাসস): কিউবার প্রেসিডেন্ট ও কাস্ত্রো পরিবারের কয়েকজন সদস্যের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হাভানার ওপর ওয়াশিংটনের চাপ আরও জোরদারের সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর ছেলে ও নাতি। রাউল কাস্ত্রো বর্তমানে কোনো সরকারি পদে না থাকলেও দ্বীপ রাষ্ট্রটিতে এখনো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত।

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-ক্যানাল, তার স্ত্রী ও সৎপুত্রও যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন। একই সঙ্গে কিউবার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় এবং আরও কয়েকটি সংস্থার বিরুদ্ধেও এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

১৯৬২ সাল থেকে কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছেন। তিনি কিউবার জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছেন এবং দ্বীপটি দখলের হুমকিও দিয়েছেন।

ওয়াশিংটনের দাবি, কিউবার কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।

ট্রাম্প বারবার বলেছেন, জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার সমাজতান্ত্রিক নেতা নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতাচ্যুতি এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পর কিউবা হতে পারে পরবর্তী দেশ, যা ‘পতনের মুখে পড়তে পারে’।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তার প্রশাসন প্রথমে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের বিষয়টি সমাধানে মনোযোগ দিচ্ছে। এরপর তিনি কিউবার দিকে নজর দেবেন এবং সেখানে ‘একটি সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি’ করবেন বলে ইঙ্গিত দেন।

কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হত্যা মামলা এবং কিউবার সামরিক সংস্থাসহ বর্তমান নেতৃত্বের ওপর আরোপিত নতুন নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য দেশটির পতন ত্বরান্বিত করাÑ এমন অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।

ওয়াশিংটন গত বছর দিয়াজ-ক্যানালের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নিয়েছিল। সে সময় তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।