শিরোনাম

ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লরাঁ নুনেজের আলজিয়া সফরে গতকাল মঙ্গলবার ফ্রান্স ও আলজেরিয়া নিরাপত্তা সহযোগিতা পুনরায় শুরু করতে সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এটি দীর্ঘদিনের বৈরিতা ও কূটনৈতিক টানাপড়েনের পর সম্পর্কের উন্নতির প্রথম লক্ষণ, যেখানে উচ্চ-পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিচার বিভাগীয় ও গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং অভিবাসন বিষয়ে কাজ করার বিষয়ে ঐক্যমত হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
প্রেসিডেন্ট আবদেলমাজিদ তেব্বুনের সাথে বৈঠকে পর নুনেজ বলেন, উভয় পক্ষ ‘একটি উচ্চ-পর্যায়ের নিরাপত্তা সহযোগিতা ব্যবস্থা পুনরায় সক্রিয় করতে’ সম্মত হয়েছে।
ফ্রান্স এবং তার প্রাক্তন উপনিবেশের মধ্যে টানাপোড়েন সম্পর্কের পটভূমিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৪ সালে প্যারিস বিতর্কিত পশ্চিম সাহারা অঞ্চলের ওপর আনুষ্ঠানিকভাবে মরক্কোর সার্বভৌমত্বকে সমর্থন করার পর থেকে তা ভেঙে পড়ে। পশ্চিম সাহারায় স্বাধীনতাকামী পোলিসারিও ফ্রন্টকে আলজেরিয়ার সমর্থন ফ্রান্সের সাথে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ফাটল আরও গভীর করেছে।
নুনেজ সোমবার একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের পর জানিয়েছেন, নিরাপত্তা সম্পর্ক স্বাভাবিক করাই ছিল বৈঠকের মূল লক্ষ্য। এই আলোচনায় বিচারিক ব্যবস্থা, পুলিশিং এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও সহযোগিতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করা। এটি একটি উচ্চ-পর্যায়ের আলোচনার অংশ যা নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ। যাতে ‘পুনঃপ্রবেশ সম্পর্কিত সহযোগিতা উন্নত করা যায় সেজন্য তার দেশের সেবাদান সংস্থাগুলোকে ফরাসি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেওয়ার জন্য তিনি আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান। আলজেরিয়া কয়েক মাস ধরে ফ্রান্সে অনিয়মিতভাবে বসবাস করা তার দেশের নাগরিকদের ফেরত নেওয়া থেকে বিরত রয়েছে।
নুনেজ নিশ্চিত করেছেন যে, পুনঃস্থাপিত সহযোগিতা ‘যত দ্রুত সম্ভব’ কার্যকর হবে।
আলজেরিয়ার কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত ছবিতে ফ্রান্সের আভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা প্রধান এবং আলজেরিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধানকে একসাথে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেখা গেছে।
উভয় পক্ষেরই অনেক সমস্যা রয়েছে যা মোকাবেলা করতে হবে। সফরের আগে, নুনেজ বলেছেন যে, তিনি মাদক পাচার এবং সন্ত্রাসবাদ দমন সহ ‘সকল নিরাপত্তা বিষয় উত্থাপন করতে চান।
উভয় পক্ষেরই অনেক সমস্যা সমাধানের বাকি রয়েছে। সফরের আগে, নুনেজ বলেছেন যে, তিনি মাদক পাচার এবং সন্ত্রাসবাদ দমন সহ ‘সকল নিরাপত্তা বিষয়’ উত্থাপন করতে চান।