বাসস
  ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৫৮

আইআরএস ও মার্কিন ট্রেজারির বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলা ট্রাম্পের

ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবা (আইআরএস)-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। 

তিনি অভিযোগ করেছেন, তার কর রিটার্ন ফাঁস হওয়ায় তার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে এবং সেই ক্ষতির জন্য তিনি ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তার দুই ছেলে এরিক ও ডোনাল্ড জুনিয়র এবং তাদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশন যৌথভাবে আইআরএস ও ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের বিরুদ্ধে একটি ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলা দায়ের করেছে। 

অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত কর রিটার্ন ও গোপনীয় আর্থিক তথ্য সুরক্ষিত রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় এই তথ্যগুলো গণমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে।

ট্রাম্পের কর রিটার্ন তার প্রথম মেয়াদে অনেক জল্পনা-কল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। 

তিনি নজির ভেঙে প্রার্থী হিসেবে সেগুলো প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, কর সংক্রান্ত এ সব নথি সংবাদ মাধ্যমে ফাঁস করেছিলেন চার্লস ‘চ্যাজ’ লিটল জন, যিনি মে ২০১৯ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত আইআরএস-এর একজন সাবেক কর্মচারী ছিলেন।

মিয়ামির ফেডারেল আদালতে দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, ‘বিবাদীরা বাদী পক্ষের সুনাম ও আর্থিক ক্ষতি সাধন করেছে, জনসমক্ষে তাদের বিব্রত করেছে, অন্যায়ভাবে তাদের ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে, তাদের ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও অন্যান্য বাদীর মর্যাদার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।’

লিটলজন ২০২৩ সালে ট্রাম্পের কর রিটার্ন প্রকাশের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন এবং বর্তমানে তিনি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

নিউইয়র্ক টাইমস ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এক প্রতিবেদনে জানায় যে ট্রাম্প বারবার তার কর রিটার্ন প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে ফেডারেল আয়কর হিসেবে মাত্র ৭৫০ ডলার পরিশোধ করেছেন এবং তার আগের ১৫ বছরের মধ্যে ১০ বছর তিনি একেবারেই কোনো আয়কর দেননি।

প্রেসিডেন্ট তার তত্ত্বাবধানে থাকা ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে আইনি দাবি দাখিল করার এটিই প্রথম ঘটনা নয়।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, গোপন নথি ভুলভাবে পরিচালনা করা এবং ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দেওয়ার চেষ্টা সংক্রান্ত তার বিরুদ্ধে শুরু হওয়া তদন্তের কারণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস)-এর কাছ থেকে ২৩ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিলেন।