শিরোনাম

ঢাকা, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫ (বাসস) : যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আগামী সপ্তাহের ন্যাটো পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দেবেন না বলে জানা গেছে।
বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউক্রেন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে মিত্রদের উদ্বেগের মধ্যে এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ট্রান্সআটলান্টিক জোটের মূল শক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ এই কূটনীতিকের ডিসেম্বরের বার্ষিক বৈঠকে যোগ না দেওয়া অত্যন্ত অস্বাভাবিক ঘটনা।
বিশেষ করে, যখন এই বৈঠকের এজেন্ডা ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতি সম্পর্কিত আলোচনা প্রাধান্য পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে রুবিওর সফর পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলেন, এই মুহূর্তে তিনি আগামী বুধবার ও বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে বৈঠকে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন না এবং এর পরিবর্তে তিনি তার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউকে পাঠাবেন।
আগামী সপ্তাহে রুবিও ন্যাটো বৈঠক এড়ানোর সময়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেরিত দূত স্টিভ উইটকফ ওই সময়ে মস্কোতে ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
গত সপ্তাহান্তে, রুবিও সুইজারল্যান্ডে ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য সফর করেন। কিন্তু তার প্রস্তাব ইউরোপীয় মিত্রদের দ্বারা সমালোচিত হয়েছে।
তারা বলেছেন যে এই প্রস্তাব মূলত মস্কোর ইচ্ছার একটি তালিকার মতোই মনে হচ্ছে।
প্রস্তাবটিতে মূলত মস্কোর ইচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে বলে ইউরোপীয় মিত্ররা মত প্রকাশ করেছে।
রুবিও জেনেভায় ইউরোপীয় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর জন্য মিত্রদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যেই ন্যাটোতে অগ্রগতি অর্জন করেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, মন্ত্রী রুবিও ইতোমধ্যেই ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে অসংখ্য বৈঠকে অংশ নিয়েছেন এবং এটা প্রত্যাশা করা ঠিক হবে না যে তিনি ন্যাটোর প্রতিটি বৈঠকেই উপস্থিত থাকবেন।
তিনি বলেন, গত ১০ মাসের মধ্যে এই প্রশাসনের বৈদেশিক নীতিতে উল্লেখযোগ্য ও ঐতিহাসিক সাফল্য এসেছে, যা তাদের কর্মের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।
কিয়েভ ও ইউরোপের সমালোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র মূল পরিকল্পনা থেকে কিছুটা পিছু হটেছে।
তবে বর্তমান পরিকল্পনার বিস্তারিত সম্পর্কে এখনো কিছু প্রকাশ করা হয়নি।