বাসস
  ২৬ মার্চ ২০২৬, ১৭:২১

স্বাধীনতা দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা : মীর হেলাল

ছবি : বাসস

চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ ২০২৬ (বাসস) : ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, মহান স্বাধীনতার এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক, দেশপ্রেমের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে একটি শোষণমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

তিনি বলেন, আজকের এই মহান স্বাধীনতা দিবসে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো শহীদদের স্বপ্নের সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৬টা ২৫ মিনিটে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের প্রত্যুষে চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলীস্থ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। 

এসময় তিনি শহীদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনাসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। 

ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের আধুনিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের নতুন এক রূপরেখা আপনাদের সামনে উপহার হিসেবে দিয়েছেন। 

তিনি আরও বলেন, সরকারের মেনিফেস্টোর মূল ভিত্তি হলো জনকল্যাণ এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। এই নতুন রূপরেখা বাস্তবায়নে এবং দেশের প্রকৃত গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনর্গঠনে প্রশাসনের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ-সকলকে অগ্রণী ভূমিকা রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ক্রমান্বয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন- সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়া উদ্দিন, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ এবং রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ।

উত্তর কাট্টলী অস্থায়ী স্মৃতিসৌধের শান্ত প্রাঙ্গণ এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশে মুখরিত হয়ে ওঠে। 

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের সার্বিক সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।