বাসস
  ১২ জুলাই ২০২৬, ২২:০৩

বস্ত্র খাতের রপ্তানিতে নগদ সহায়তা ৫ শতাংশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ঢাকা, ১২ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : দেশীয়ভাবে উৎপাদিত কাঁচামালের ব্যবহার উৎসাহিত করা এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে রপ্তানিমুখী স্থানীয় বস্ত্র খাতের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নগদ সহায়তার হার আগের ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (এফইপিডি) আজ এ বিষয়ে এক সার্কুলার জারি করেছে। এর মাধ্যমে গত ৫ জুলাই জারি করা এফইপিডি সার্কুলার নং-১৭-এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, সংশোধিত এ হার বিদ্যমান রপ্তানি প্রণোদনা নীতির আওতায় বিকল্প নগদ সহায়তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

সরকারের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার লক্ষ্য রপ্তানিমুখী বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতকে আরও বেশি সহায়তা প্রদান করা। বিশেষ করে বন্ডেড গুদাম সুবিধা বা ডিউটি ড্র-ব্যাক সুবিধা গ্রহণের পরিবর্তে দেশীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সুতা ও কাপড় সংগ্রহকারী রপ্তানিকারকদের এ সুবিধা দেওয়া হবে।

পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশীয় বস্ত্রশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহের মাধ্যমে অধিক মূল্য সংযোজন নিশ্চিত করাই এ বর্ধিত নগদ সহায়তার উদ্দেশ্য।

এ সুবিধা পেতে রপ্তানিকারককে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) অথবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো বাণিজ্য সংগঠনের সদস্য হতে হবে।

এছাড়া সুতা, কাপড় ও অন্যান্য যোগ্য কাঁচামাল দেশীয় সরবরাহকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে-এ মর্মে প্রয়োজনীয় দালিলিক প্রমাণও জমা দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নগদ সহায়তার হার বৃদ্ধি করা হলেও দেশীয় উৎস থেকে সংগৃহীত সুতা ও কাপড়ের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের বিদ্যমান পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

সংশোধিত নগদ সহায়তা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে প্রযোজ্য হবে।

সার্কুলারে সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অবিলম্বে সংশোধিত নগদ সহায়তা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।