বাসস
  ২২ মে ২০২৬, ২১:১২

১ লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এমটি ফসিল

ছবি: বাসস

চট্টগ্রাম, ২২ মে ২০২৬ (বাসস) : সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে ‘এমটি ফসিল’ নামের একটি জাহাজ। পানামার পতাকাবাহী ‘এমটি ফসিল’ নামের জাহাজটি  আজ ভোরে চট্টগ্রাম বন্দরের পৌঁছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এটি বাংলাদেশে ক্রুডের দ্বিতীয় চালান।

ইস্টার্ন রিফাইনারির মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যানিং) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে একটি ট্যাংকার জাহাজ শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। জাহাজটি থেকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লাইটারিং প্রক্রিয়ায় তেল খালাস শুরু হয়েছে।  

এর আগে গত ৬ মে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনোমিয়া’ নামে একটি অয়েল ট্যাংকার জাহাজ কুতুবদিয়া চ্যানেলে নোঙর করে। ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর দীর্ঘ দুই মাস পর বিকল্প পথে এই এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে দেশে পৌঁছে অয়েল ট্যাংকার জাহাজটি। এর আগে যুদ্ধ শুরুর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল আমদানি করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অধীন একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন  রিফাইনারিতে ক্রুড অয়েল থেকে এলপিজি, পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, ডিজেল ও ফার্নেসসহ ১৬ ধরনের তেলজাতীয় পণ্য পাওয়া যায়। 

রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, ইয়ানবু বন্দরে আরেকটি জাহাজে বিপিসির জন্য প্রায় এক লাখ টন ক্রুড অয়েল ৩০ মে লোড করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে ।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের বার্ষিক ৭২ লাখ টন চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ। দেশের চাহিদা মেটাতে ৯২ শতাংশ জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়। বাকি ৮ শতাংশ স্থানীয় উৎস ও কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে পাওয়া যায়।