শিরোনাম

ঢাকা, ১৮ মে, ২০২৬ (বাসস): দেশের প্রথম অরেঞ্জ বন্ড ‘সাজেদা অরেঞ্জ জিরো কুপন বন্ড’-এর ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রিপশন পরিচালনায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজ সোমবার ডিএসই’র নিকুঞ্জস্থ কার্যালয়ে ডিএসই’র ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের (ইএসএস) মাধ্যমে বন্ডটির সাবস্ক্রিপশন পরিচালনার জন্য এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
ডিএসই ইএসএস প্ল্যাটফর্মে বন্ডটির সাবস্ক্রিপশন আজ থেকে শুরু হয়ে আগামী ২৩ মে শেষ হবে। এটি ইএসএস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত হওয়া প্রথম প্রাইভেট বন্ড।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার, সাজেদা ফাউন্ডেশনের ডেপুটি সিইও মো. ফজলুল হক এবং ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ রাশেদ হোসাইনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে নুজহাত আনোয়ার বলেন, দেশের জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে উদ্ভাবনী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, অরেঞ্জ বন্ডের মতো উদ্ভাবনী বন্ড পুঁজিবাজারে বিকল্প অর্থায়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে।
সৈয়দ রাশেদ হোসাইন বলেন, ‘সাজেদা অরেঞ্জ বন্ড’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি থিমেটিক বন্ড বাজারের ভিত্তি স্থাপিত হচ্ছে। এ উদ্যোগ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি শক্তিশালী ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে, যেখানে সামাজিক প্রভাবের পাশাপাশি আর্থিক রিটার্নও নিশ্চিত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডিএসই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চালু হওয়া এ বন্ড ভবিষ্যতে আরও এ ধরনের ইস্যুর পথ উন্মুক্ত করবে।
মো. ফজলুল হক বলেন, নারীদের জন্য বিনিয়োগভিত্তিক ‘অরেঞ্জ জিরো কুপন বন্ড’ বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তিনি বলেন, সাজেদা ফাউন্ডেশন গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
সাজেদা ফাউন্ডেশনের ‘অরেঞ্জ জিরো-কুপন বন্ড’-এর মোট অভিহিত মূল্য ১৫৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৭৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা অভিহিত মূল্যের বন্ড ডিএসই’র ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য অফার করা হয়েছে।
বন্ডটি এক বছর, দুই বছর ও তিন বছর মেয়াদে জিরো-কুপন ইন্সট্রুমেন্ট হিসেবে গঠন করা হয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী বিনিয়োগের মেয়াদ নির্বাচন করতে পারবেন।