শিরোনাম

ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংক (ডব্লিউবি) গ্রুপের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ)-এর মধ্যে গতকাল অতিরিক্ত অর্থায়ন চুক্তি ও একটি অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশকে ‘রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (রেইজ) প্রকল্প’ বাস্তবায়নের জন্য ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ এবং ০.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দেওয়া হবে।
প্রকল্পটি ২০২১ সাল থেকে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত চলবে। অতিরিক্ত অর্থায়নের বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৩০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ইআরডি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকল্পটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের আওতাধীন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) বাস্তবায়ন করছে।
প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো নগর ও গ্রামীণ অঞ্চলে স্বল্প আয়ের যুবক-যুবতী এবং কোভিড-১৯-এ ক্ষতিগ্রস্ত যুবসমাজের আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতে সহায়ক সেবা প্রদান করা।
অতিরিক্ত অর্থায়নের আওতায় আইডিএ থেকে ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ এবং আর্লি লার্নিং পার্টনারশিপ মাল্টি-ডোনার ট্রাস্ট ফান্ড (ইএলপি এমডিটিএফ) থেকে ০.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান প্রদান করা হবে।
এই ঋণের সুদের হার ১.৫ শতাংশ, অব্যবহৃত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ ০.৫০ শতাংশ প্রতিশ্রুতি ফি (কমিটমেন্ট ফি) প্রযোজ্য হবে এবং ঋণের মেয়াদ ২৫ বছর। যার মধ্যে ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী। এই অর্থায়ন বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের গভীর সহযোগিতার প্রতিফলন। বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত রয়েছে।