শিরোনাম

ঢাকা, ২৩ মে ২০২৬ (বাসস) : ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে (ডিপিএল) টানা পঞ্চম জয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠলো বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেড।
লিগের সপ্তম রাউন্ডের ম্যাচে আজ আবাহনী ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে। বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক শান্ত ১০৮ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। সদ্য শেষ হওয়া পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ১টি করে সেঞ্চুরি ও হাফ-সেঞ্চুরিতে ৪ ইনিংসে ২৩২ রান করেনছিলেন শান্ত।
টানা দুই হার দিয়ে লিগ শুরু করা আবাহনী ৭ ম্যাচে ৫ জয় ও ২ হারে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠল। সমানসংখ্যক ম্যাচে ১০ করে পয়েন্ট আছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ও প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের। কিন্তু রান রেটে এগিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে আবাহনী।
ইউল্যাব ক্রিকেট মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অগ্রণী ব্যাংক। উদ্বোধনী জুটিতে মাহফিজুল ইসলামের সাথে ৫১ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়ে সাজঘরে ফিরেন সাদমান ইসলাম। ১৭ রান করেন তিনি।
স্কোর বোর্ডে ৬ রান যোগ হবার পর আউট হন মাহফিজুল। ৩৩ বলে ৩১ রান করেন তিনি।
এরপর অধিনায়ক ইমরুল কায়েস ৩০, অমিত হাসান ৭, মার্শাল আইয়ুব ১০ ও শুভাগত হোম ১ রানে আউট হলে দ্রুত গুটিয়ে যাবার শঙ্কায় পড়ে অগ্রণী ব্যাংক। ১১২ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতন হয় তাদের।
তবে এক প্রান্ত আগলে ৫৬ রানের ইনিংসে দলকে সম্মানজনক পুঁজি এনে দেন নাসির হোসেন। ৪২.১ ওভারে ১৭৮ রানে অলআউট হয় অগ্রণী ব্যাংক। ৫৮ বল খেলে ২টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন নাসির।
আবাহনীর রোহানাত দৌলা বর্ষণ-রাকিবুল হাসান-খালেদ আহমেদ-মোসাদ্দেক হোসেন ও মাহফুজুর রহমান রাব্বি ২টি করে উইকেট নেন।
জবাবে তৃতীয় ওভারে দলীয় ৮ রানে ওপেনার জিশান আলমকে হারায় আবাহনী। ১৪ বলে ৬ রান করেন তিনি।
এরপর শক্ত হাতে দলের হাল ধরেন আরেক ওপেনার শান্ত ও উইকেটরক্ষক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। ২০তম ওভারে আবাহনীর রান ১শতে নেন তারা। এসময় ৪৯ বল খেলে হাফ-সেঞ্চুরিতে পা রাখেন শান্ত।
হাফ-সেঞ্চুরির পর ইনিংস বড় করেছেন শান্ত। অন্যপ্রান্তে শান্তকে সঙ্গ দিয়েছেন অঙ্কন।
২৮তম ওভারের প্রথম বলে অগ্রণী ব্যাংকের পেসার শহিদুল ইসলামের ডেলিভারিতে চার মেরে ৯৬তে পৌঁছে যান শান্ত। ওভারের পরের ডেলিভারিতে ছক্কা মেরে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১৫তম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এজন্য ৮০ বল খেলেছেন শান্ত।
শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় উইকেটে ১৭৪ বলে ১৭১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ১১০ বল বাকী থাকতে আবাহনীর জয় নিশ্চিত করেন শান্ত।
৭টি করে চার-ছক্কায় ৯০ বলে ১০৮ রানে নান্দনিক ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হন শান্ত। অন্যপ্রান্তে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন অঙ্কন।