শিরোনাম

ঢাকা, ৪ মে ২০২৬ (বাসস) : পাকিস্তানের হয়ে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই খেলতে চান দেশটির সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম।
গতরাতে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ১১তম আসর শেষে ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন শেষে এ কথা বলেন বাবর। তিনি জানান, আমি তিন ফরম্যাটেই খেলতে চাই। আমার মতে, সব খেলোয়াড়েরই তিন ফরম্যাটে খেলা উচিত।
বাবরের নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় বছর পর পিএসএলে চ্যাম্পিয়ন হয় পেশোয়ার জালমি। ফাইনালে পেশোয়ার ৫ উইকেটে হারায় নবাগত হায়দরাবাদ কিংসমেনকে।
পিএসএলে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করেছেন বাবর। ১১ ইনিংসে ৫৮৮ রান করে টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। একমাত্র ব্যাটার হিসেবে টুর্নামেন্টে দুটি সেঞ্চুরি করেন বাবর। এছাড়া তার ব্যাট থেকে ৩টি হাফ-সেঞ্চুরিও আসে।
ফাইনাল শেষে বাবর জানালেন, পাকিস্তানের হয়ে তিন ফরম্যাটেই খেলতে চান। তিনি বলেন, ‘চিন্তা করবেন না, আমি তিন ফরম্যাটেই খেলবো। কোন ফরম্যাটে খেলবে বা খেলবে না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া খেলোয়াড়দের কাজ নয়। খেলোয়াড়দের কাজ খেলা। আমার মতে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের সব ফরম্যাটে খেলা উচিত।’
বাবর আরও বলেন, ‘শুধু সাদা বল বা টি-টোয়েন্টির ওপর মনোযোগ দেওয়া উচিত নয়। লাল বলের ক্রিকেট খেলাটিতে অভিজ্ঞতা বাড়ায়। এটি ইনিংস গড়া শেখায় এবং ধৈর্য তৈরি করে। চার দিনের ক্রিকেটে বড় ইনিংস খেলার অভিজ্ঞতা বাড়ে। তাই তিন ফরম্যাটেই খেলা উচিত। কারণ প্রতিটি ফরম্যাট একে অপরকে সাহায্য করে। লাল বল আপনাকে টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডেতে সাহায্য করে। টেস্ট ম্যাচে ধৈর্য এবং মানসিকতা তৈরি হবে। লম্বা ইনিংস খেলার প্রবণতা সাদা বলের ক্রিকেটে অনেক উপকৃত করবে।’
২০১৭ সালের পর বাবরের হাত ধরে পিএসএলের শিরোপা জিতল পেশোয়ার। শিরোপা জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বাবর বলেন, ‘দেরিতে হলেও ভালো কিছু হয়েছে। কখনো কিছু জিনিস দেরিতে আসে, আবার কখনো দ্রুত আসে।’
টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েও খুশি নন বাবর। নিজের পারফরমেন্স নিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজের প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারিনি। একজন ব্যাটারের পক্ষে সমস্যা হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধান করতে হবে। খারাপ সময়ে সমর্থনের প্রয়োজন আছে। আমার পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি আমার কাছের কোচদের সাথে উন্নতির জায়গা নিয়ে আলোচনা করেছি এবং সেগুলো নিয়ে কাজ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘জীবন রোলারকোস্টারের মতো এবং কোনো কিছুই সব সময় একই রকম থাকে না। ভালো এবং খারাপ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আসলে জীবন এভাবেই চলে।’