বাসস
  ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১:২৩

বাংলাদেশ টেবিল টেনিসে জাপানের কোচ ইউতাকা নাকানো

ঢাকা, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (বাসস) : দেশের টেবিল টেনিসের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে জাপানের অভিজ্ঞ কোচ ইউতাকা নাকানোকে দুই বছরের জন্য প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন (বিটিটিএফ)-এর বর্তমান অ্যাডহক কমিটি।

বুধবার দিবাগত রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার ওয়াসিফ ফারহান শায়ের।

আসন্ন কমনওয়েলথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ, এশিয়ান গেমস, এশিয়ান যুব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ, সাউথ এশিয়ান জুনিয়র টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ এবং সাউথ এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে ফেডারেশন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে জাতীয় র‌্যাঙ্কিং এর শীর্ষ ১৬ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারীা খেলোয়াড়কে এশিয়ান গেমসের সিলেকশন ক্যাম্পে ডাকা হয়েছে।

ইউতাকা নাকানো একজন সাবেক জাপানি টেবিল টেনিস খেলোয়াড়, যিনি পরবর্তীতে কোচিং পেশায় যুক্ত হন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার রয়েছে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। কোচ হিসেবে এটি তার দ্বিতীয়বার বাংলাদেশে আগমন। এর আগে ২০২২ সালে তিনি ল্যাব এইডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ফিউচার স্পোর্টিং ক্লাবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্যামসন দুবিনা টেবিল টেনিস একাডেমিতে কোচ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রধান কোচ হিসেবে তার দায়িত্বের মধ্যে থাকবে জাতীয় সিনিয়র ও যুব দলের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় প্রতিযোগিতায় কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান, খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ এবং নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল।

বিটিটিএফ-এর সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এ এম মাকসুদ আহমেদ সনেট বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, ইউতাকা নাকানোর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেবিল টেনিস নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সাফল্য আরও বাড়বে।”

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে আলাদাভাবে দল নির্বাচন করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে নারী দলের কোচ হিসেবে প্রাক্তন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন সালেহা সেতুকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ভবিষ্যতে দেশীয় কোচদের দক্ষতা উন্নয়নসহ পুরুষ, নারীা, বালক ও বালিকা- প্রতিটি বিভাগে বিশেষায়িত কোচ নিয়োগের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন অনেকাংশেই সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার ওপর নির্ভরশীল।