শিরোনাম

ঢাকা, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (বাসস) : দ্বিতীয় লেগে ২-১ গোলে জয়ী হয়েও দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কাছে পরাজিত হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে বার্সেলোনা।
ম্যাচের ২৪ মিনিটে লামিন ইয়ামাল ও ফেরান তোরেসের গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। তবে প্রথম লেগে ২-০ জয়ের সুবাদে এগিয়ে থাকা এ্যাথলেটিকো আডেমোলা লুকমানের গোলের সুবাদে আবারও এগিয়ে যায়। এই জয়ে দিয়েগো সিমিওনের দল কঠিন ও রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে লা লিগা চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তুলে ২০১৭ সালের পর প্রথমবারের মতো শেষ চারে উঠল।
ম্যাচের শেষদিকে আলেকজান্ডার সোরলোথকে ফাউল করে বার্সার ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া লাল কার্ড দেখেন। শেষ ১১ মিনিট ১০জন নিয়ে খেলে আর ম্যাচে ফিরে আসতে পারেনি কাতালান জায়ান্টরা।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখনও শিরোপা জিততে না পারা এ্যাথলেটিকো ২০১৪ ও ২০১৬ সালের ফাইনালে হেরেছিল।
অন্যদিকে এই পরাজয়ে ২০১৫ সালের পর শিরোপা জিততে না পারা বার্সেলোনার অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো। তবে মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং বলেন, দল সঠিক পথেই এগোচ্ছে, ‘আমরা খুব ভালো খেলেছি, সবকিছু দিয়েছি। কিন্তু ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল না। আমরা এগিয়ে যাব।”
বার্সা কোচ হানসি ফ্লিক আক্রমণে মার্কাস রাশফোর্ড ও রবার্ট লিওনডোস্কিকে বেঞ্চে রেখে তোরেস ও গাভিকে খেলান, যাতে শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করা যায়। ম্যাচের ৩২ সেকেন্ডেই ইয়ামালের শট ঠেকান গোলরক্ষক হুয়ান মুসো। এরপর চার মিনিটেই ইয়ামাল গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন।
২৪তম মিনিটে তোরেসের গোলে সমতায় ফেরে বার্সেলোনা। কিন্তু ৩১তম মিনিটে মার্কোস লোরেন্তের ক্রস থেকে লুকমান গোল করে এ্যাথলেটিকোকে আবার এগিয়ে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধে তোরেসের আরেকটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। শেষদিকে ফ্লিক ম্যাচে ফিরে আসার লক্ষ্যে রাশফোর্ড ও লিওয়াডস্কিকে নামান, তবে কাঙ্খিত গোল আর আসেনি।
৭৯ মিনিটে এরিক গার্সিয়ার লাল কার্ড ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
শেষদিকে রোনাল্ড আরাউজোকে আক্রমণে তোলা হলেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বার্সা। আট মিনিট অতিরিক্ত সময় পার করে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে এ্যাথলেটিকো।