শিরোনাম

লালমনিরহাট, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (বাসস) : প্রতিবারের ন্যায় উত্তরবঙ্গের লালমনিরহাট সদরের বড়বাড়ীতে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পাঁচ দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
এ উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা, যা ঘিরে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে। এছাড়াও আয়োজনের অংশ হিসেবে থাকছে ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা, গ্রামবাংলার বিভিন্ন খেলাধুলা এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে ভাওয়াইয়া, ফোক ও পালাগানের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ১লা বৈশাখ সকাল ১০টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনের কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর সকাল ১১টায় পান্তা ভোজন, দুপুর ২টায় চকোর চাল ও ঠুস খেলা, বিকেল ৩টায় হা-ডু-ডু, সন্ধ্যা ৬টায় ভলিবল এবং রাত ৮:৩০ মিনিটে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বিতীয় দিন বুধবার দুপুর ২টায় চকোর চাল, ২টা ৩০ মিনিটে ঘুড্ডির মেলা, ৩টায় হা-ডু-ডু, ৩:৩০ মিনিটে ঠুস খেলা, ৪টায় চেংকু পেন্টি, ৪:৩০ মিনিটে উটকুন দিয়ে দড়ি বুনন, সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে ভলিবল এবং রাত ৮:৩০ মিনিটে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হবে।
৩ বৈশাখ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দীর্ঘ লম্ফ, ১০:৩০ মিনিটে ঝাঁকি জাল বুনন, ১১:৩০ মিনিটে গচা খেলা, ১২টায় উচ্চ লম্ফ, দুপুর ২টায় হা-ডু-ডু, ২:৩০ মিনিটে লাঠিখেলা, ৩টায় মেয়েদের যৌথ দড়ি খেলা, সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে ভলিবল এবং রাত ৮:৩০ মিনিটে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার সকাল ১০টায় মোরগ যুদ্ধ, সকাল ১০:৩০ মিনিটে বাটুল ছোড়া, সকাল ১১টায় মেয়েদের কিতকিত খেলা, দুপুর ৩টায় ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা, সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে ভলিবল ফাইনাল এবং রাত ৮:৩০ মিনিটে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হবে।
৫ বৈশাখ শনিবার শেষদিন সকাল ১০টায় কাঁথা সেলাই, সকাল ১১টায় হা-ডু-ডু (ফাইনাল), সকাল ১১:৩০ মিনিটে মেয়েদের (অনূর্ধ্ব-১২) দাঁড়িয়ে দড়ি খেলা, দুপুর ২টায় ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় (ফাইনাল) অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে ভলিবল (ফাইনাল) এবং রাত ৮:৩০ মিনিটে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
বৈশাখী উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সত্যেন্দ্রনাথ রায় বাসসকে বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বৈশাখী উৎসব উদযাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক। তাঁর দিকনির্দেশনায় প্রতি বছরই আমরা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকি।
বৈশাখী উৎসব উদযাপন কমিটির আরেক সদস্য মিজানুর রহমান লাভলু বলেন, গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি এই উদযাপনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হবে।