শিরোনাম

ঢাকা, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (বাসস) : পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ১৫তম ম্যাচে পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলতে নেমে বল হাতে ব্যর্থ হয়েছেন বাংলাদেশের দুই পেসার শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। তবে তাদের ব্যর্থতার দিন হায়দারাবাদ কিংসম্যানকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে পেশোয়ার জালমি।
শরিফুল ২ ওভার বল করে ২১ রানে এবং রানা ৩ ওভারে ৩০ রান খরচ করলেও উইকেটের দেখা পাননি।
করাচি জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পেশোয়ারের দুই স্পিনার ইফতিখার আহমেদ ও সুফিয়ান মুকিমের ঘূর্ণিতে ১৮.২ ওভারে ১৪৫ রান তুলে হায়দারাবাদ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন শ্রীলংকার কুশল পেরেরা। ৩৫ বল খেলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তিনি।
পেশোয়ারের ইফতিখার ২১ রানে ও সুফিয়ান ৩২ রানে ৪টি করে উইকেট নেন।
হায়দারাবাদের ইনিংসের পাওয়ার প্লেতে ১ ওভার করে বল করেন শরিফুল ও রানা। শরিফুল ৯ ও রানা ১৩ রান দেন। ইনিংসে ১৬তম ওভারে দ্বিতীয়বার বোলিং করতে এসে ১২ রান দেন শরিফুল।
ইনিংসের দশম ওভারে নিজের দ্বিতীয় ওভারে ৯ রান খরচ করেন রানা। ১৮তম ওভারে তৃতীয়বার বোলিং করে ৮ রান দেন তিনি।
১৪৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শেষ বলে জয় নিশ্চিত হয় পেশোয়ারের। ১০ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৭৮ এবং ১৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১১৬ রান তুলে তারা।
তবে ১৬ থেকে ১৯তম ওভারে মাত্র ১টি চার হাঁকিয়েছে পেশোয়ার। এসময় চার ওভারে ২ উইকেটের বিনিময়ে মাত্র ১৬ রান যোগ করে তারা। এতে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৪ উইকেট হাতে নিয়ে ১৪ রান দরকার পড়ে পেশোয়ারের।
হায়দারাবাদ পেসার হুনাইন শাহর শেষ ওভারে ১টি করে চার-ছক্কা মেরে আমের জামালকে নিয়ে পেশোয়ারকে স্বস্তির জয় এনে দেন ইফতিখার।
দলের হয়ে অধিনায়ক বাবর আজমের ৩৭ বলে সর্বোচ্চ ৪৩, ইফতিখার অপরাজিত ১৫ ও জামাল ৬ রান করেন। ব্যাট করার সুযোগ পাননি শরিফুল ও রানা। এবারের আসরে এটি শরিফুলের দ্বিতীয় ও রানার প্রথম ম্যাচ ছিল।
৩ ম্যাচ খেলে ২ জয় ও ১ পরিত্যক্ত ম্যাচের সুবাদে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠল পেশোয়ার। ৪ ম্যাচে সবগুলোতে হেরে আট দলের টুর্নামেন্টে সপ্তম স্থানে আছে হায়দারাবাদ।