শিরোনাম

ঢাকা, ১১ মার্চ ২০২৬ (বাসস) : টি২০ বিশ্বকাপ শেষে ভারত থেকে নিজেদের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের দেশে ফেরাতে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট (সিডব্লিউআই)। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারনে টি২০ বিশ্বকাপ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গত ১ মার্চ বিদার নেওয়ার পর কলকাতায় আটকে ছিল। চার্টার ফ্লাইটের মাধ্যমে ফেরানোর পরিকল্পনা বারবার বিলম্বিত হবার কারনে দেশে ফেরা নিয়ে ক্যারিবীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।
সিডব্লিউআই জানিয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের কয়েকজন সদস্য ইতোমধ্যে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করেছেন। বাকি খেলোয়াড় ও স্টাফদের বুধবারের মধ্যে রওনা হওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ৪ মার্চ টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়া দক্ষিণ আফ্রিকা দলও আজ রাত থেকে ভারত ছাড়তে শুরু করবে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জানিয়েছে, ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে দলের সব সদস্য ভারত ছেড়ে যাবেন।
সিডব্লিউআই এক বিবৃতিতে জানায়, পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগের আইসিসি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর ভ্রমণ ও আবাসনের দায়িত্ব সাধারণত আইসিসিই সমন্বয় করে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা দলকে একসঙ্গে বহন করার জন্য যে চার্টার ফ্লাইটের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা বারবার বিলম্বিত হয়েছে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে প্রায় ৯ দিন ভারতে অপেক্ষা করতে হয়েছে।
তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে চার্টার ফ্লাইটের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ফলে খেলোয়াড় ও স্টাফদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তির কথা বিবেচনা করে সিডব্লিউআই সিদ্ধান্ত নেয় যে আর অপেক্ষা করা ঠিক হবে না।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে খেলোয়াড় এবং অন্যান্য অংশীদারদের সহায়াতায় আইসিসির সঙ্গে সমন্বয় করে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়। ইতোমধ্যে কয়েকজন সদস্য ভারত ছেড়েছেন এবং বাকিদের আজ-কালের মধ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মূলত সপ্তাহান্তেই দল দুটির ভারত ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু আইসিসি জানায়, ১০ মার্চ রাত ২টা ৩০ মিনিটে কলকাতা থেকে একটি চার্টার ফ্লাইট ছাড়বে, যা প্রথমে জোহানেসবার্গ হয়ে পরে সেন্ট. জোনসে যাওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু পরে সেই ফ্লাইট বাতিল করা হয়। পরে আবার মঙ্গলবার বিকেল ২টায় নতুন ফ্লাইটের কথা জানানো হলে সেটিও বাতিল হয়। আইসিসির ইমেইলে বলা হয়, গন্তব্যের বিমানবন্দরগুলো সব চার্টার অপারেটরকে জানিয়েছে যে আপাতত কোনো অতিরিক্ত চার্টার ফ্লাইটকে জ্বালানি নিতে দেওয়া হবে না।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের কারণে আকাশপথ বন্ধ বা সীমিত হয়ে যাওয়ায় টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পরও এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দুই দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ ভারতে আটকে ছিলেন। এ নিয়ে অনেক খেলোয়াড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের হতাশার কথাও জানিয়েছেন।