শিরোনাম

ঢাকা, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : শীর্ষ স্তরের ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগে বাবা-ছেলে হিসেবে একই ম্যাচে খেলতে নেমে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবি ও হাসান ইশাখিল।
গতরাতে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ২২তম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও ঢাকা ক্যাপিটালস। এ ম্যাচে নোয়াখালীর হয়ে খেলতে নামেন নবি ও ইশাখিল। দেশের বাইরে এই প্রথম কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলতে নামেন ইশাখিল। ৪১ বছর বয়সী বাবা নবির হাতে ক্যাপ পড়ে অভিষেক হয় পুত্র ইশাখিলের।
এমনকি নোয়াখালীর ব্যাটিং ইনিংসেও চতুর্থ উইকেটে ৩০ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন নবি ও ইশাখিল। নবি ১৭ রানে আউট হলেও ৬০ বলে ৭টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৯২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন ১৯ বছর বয়সী ইশাখিল। তার ব্যাটিং নৈপুন্যে ঢাকার বিপক্ষে ৪১ রানে জয় পায় নোয়াখালী।
নাবি-ইসাখিলের আগে স্বীকৃত ক্রিকেটে বাবা-ছেলের একসাথে খেলার নজির আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শিবনারাইন চন্দরপল ও তেজনারাইন চান্দারপলের। ২০১৪ সালে ক্যারিবিয়ান বাবা-ছেলে হিসেবে গায়ানার হয়ে একসাথে ১১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন দু’জন। বাবার অধিনায়কত্বেও কিছু ম্যাচ খেলেন তেজনারাইন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাবা-ছেলের একসাথে খেলারও ইতিহাস আছে। গত নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে তিমুর লেস্তের হয়ে খেলেছেন বাবা সুহাইল সাত্তার ও ছেলে ইয়াহিয়া সাত্তার। ঐ ম্যাচে বাবার বয়স ছিল ৫০ বছর এবং ছেলের বছর ছিল ১৭ বছর।
এছাড়াও বিভিন্ন দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাবা-ছেলের একসাথে খেলার আরও নজির আছে। ইংল্যান্ডের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলেছেন বাবা ডব্লিউ জি গ্রেস ও ছেলে চার্লস গ্রেস, বাবা মিকি স্টুয়ার্টের সাথে খেলেছেন সাবেক অধিনায়ক অ্যালেক স্টুয়ার্ট এবং জিম্বাবুয়ের হিথ স্ট্রিক খেলেছেন বাবা ডেনিস স্ট্রিকের সাথে।
এছাড়া মা-মেয়ে হিসেবে গত বছর সুইজারল্যান্ডের হয়ে ৬টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন মা মেটি ফার্নান্দেস ও মেয়ে ন্যায়না মেটি ফার্নান্দেস।