শিরোনাম

/ তাপসী রাবেয়া আঁখি ও মোশতাক আহমদ /
ঢাকা, ২৫ জুন, ২০২৬ (বাসস) : যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে পরিবেশবান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মহাপরিকল্পনার আওতায় দেশের প্রতিটি পৌরসভায় পর্যায়ক্রমে স্থাপন করা হচ্ছে ম্যাটেরিয়াল রিকভারি ফ্যাসিলিটি (এমআরএফ) সেন্টার।
এসব এমআরএফ সেন্টারে পৌর এলাকার দৈনন্দিন বর্জ্য সংগ্রহ, বাছাই, পুনর্ব্যবহার এবং জৈব বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনের পাশাপাশি প্লাস্টিক পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও ভবিষ্যতে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দের জন্য ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং ভোগ্যপণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বর্তমানে অন্যতম বড় নগর চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে বিভাগীয় শহর, জেলা সদর এবং দেশের শত শত পৌরসভায় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হলেও সেগুলোর সংগ্রহ, পরিবহন, সংরক্ষণ ও চূড়ান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এখনো পর্যাপ্ত নয়।
এ বাস্তবতায় দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে একটি আধুনিক, সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোর আওতায় আনতে নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্প্রতি দেশের সকল জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো এক নির্দেশনায় জানিয়েছে, দেশের ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে যেসব পৌরসভায় এখনো ডাম্পিং স্টেশন বা ডাম্প ইয়ার্ড নেই, সেসব পৌরসভার জন্য প্রয়োজনীয় খাস জমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব ড. আশফিকুন নাহার স্বাক্ষরিত এক পত্রে জেলা প্রশাসকদের জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, স্থায়ী বন্দোবস্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী ভিত্তিতে সরকারি খাস জমি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে বর্জ্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নগর উন্নয়ন শাখার অতিরিক্ত সচিব ও নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বাসস-কে জানান, সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে আধুনিক বর্জ্য ব্যাবস্থাপনার যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, অনেক দিন থেকেই দেশের প্রতিটি পৌরসভায় বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় জনগণের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া চলছে। সবাই চাচ্ছিলেন, পৌর শহরগুলোতে যাতে প্রকাশ্যে বর্জ্য ফেলা না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে যাতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অবশেষে বর্তমান বিএনপি সরকার জনগণের সেই চাহিদার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে দৃশ্যমান কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশব্যাপী আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দৃশ্যমান রূপ দেখতে পারবে বাংলাদেশ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। ওই সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে নিয়ে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১১ জুন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির সভাপতিত্বে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুই পাশের বর্জ্য অপসারণ, ডাম্পিং স্টেশন স্থাপন এবং পৌরসভাগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পৌরসভায় এখনো কোনো স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন নেই। ফলে অনেক পৌরসভা অস্থায়ীভাবে খোলা জায়গা ব্যবহার করে বর্জ্য ফেলার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে স্থানীয় পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি দুর্গন্ধ, মশা-মাছির উপদ্রব এবং জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে বৃষ্টির পানির সঙ্গে এসব বর্জ্য পাশের খাল, নদী ও জলাশয়ে গিয়ে পড়ছে, যার ফলে পানি দূষণও বাড়ছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় ডাম্পিং স্টেশন একটি মৌলিক অবকাঠামো। এটি শুধু বর্জ্য ফেলার স্থান নয়; বরং বর্জ্য সংগ্রহ, বাছাই, পুনর্ব্যবহার এবং ভবিষ্যতে বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের মতো কার্যক্রমের ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। কিন্তু জমি সংকট, অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা এবং পরিকল্পনার অভাবে দেশের অনেক পৌরসভা এখনো এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
সরকারের নতুন কর্মপরিকল্পনায় তাই ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের জন্য কম ঘনবসতিপূর্ণ ও তুলনামূলক কম দূষণপ্রবণ এলাকায় সরকারি খাস জমি চিহ্নিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জেলা প্রশাসন, পৌরসভা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে দ্রুত জমি চিহ্নিত করা গেলে বহু পৌরসভার দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান হবে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা, অবৈধ দখল এবং অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভিযোগ রয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাগুলো মহাসড়কের দুই পাশের বর্জ্য অপসারণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং সবুজায়নের কাজ করবে।
সভায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা নিজ নিজ এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন এবং প্রয়োজনীয় জনবল, যানবাহন ও সরঞ্জামের চাহিদার কথা জানান।
বিশেষ করে শ্রীপুর, ভালুকা এবং ত্রিশাল পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। এসব পৌরসভাকে প্রয়োজনীয় ইক্যুইপমেন্ট সরবরাহ, জনবল নিয়োগ এবং ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের জন্য খাস জমি বরাদ্দের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত ভাড়াভিত্তিক ব্যবস্থায় কাজ চালিয়ে যাওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুধু পৌরসভার সীমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুই পাশে এমন অনেক এলাকা রয়েছে, যা ইউনিয়ন পরিষদের আওতাভুক্ত হলেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেই। এ কারণে নিকটবর্তী পৌরসভাগুলোকে এসব এলাকার বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি নগর সৌন্দর্যবর্ধনেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সভায় মহাসড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ, মিডিয়ান সবুজায়ন, ডাস্টবিন স্থাপন, পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, যাত্রী ছাউনি স্থাপন, সার্ভিস লেন এবং ওয়াকওয়ে নির্মাণের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু পরিচ্ছন্নতা নয়, সামগ্রিকভাবে নগর পরিবেশেরও উন্নতি হবে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করলেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার পূর্ণ সমাধান হবে না। আধুনিক বিশ্বে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ধারণা অনেকটাই বদলে গেছে। উন্নত দেশগুলো এখন বর্জ্যকে সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করছে। জৈব বর্জ্য থেকে কমপোস্ট সার উৎপাদন, প্লাস্টিক ও ধাতব বর্জ্য পুনর্ব্যবহার, এমনকি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উৎপাদনের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে এ ধরনের উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডাম্পিং স্টেশনগুলোকে ভবিষ্যতে সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রে রূপান্তর করা গেলে পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক, উভয় ক্ষেত্রেই সুফল পাওয়া সম্ভব হবে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন। তাদের মতে, অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ফেলে রাখার ফলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ডায়রিয়া, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এছাড়া পচনশীল বর্জ্য থেকে নির্গত গ্যাস বায়ু দূষণের কারণ হয় এবং জলাশয়ে বর্জ্য পড়লে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, জেলা প্রশাসন, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টায় নতুন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা কাটিয়ে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভিত্তি গড়ে উঠবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব পরিমল সরকার বাসস-কে বলেন, ‘বাংলাদেশের নগরায়ন দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিদিন বর্জ্যের পরিমাণও বাড়ছে। কিন্তু অধিকাংশ পৌরসভায় এখনো আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। এ বাস্তবতায় সরকার দেশের প্রতিটি পৌরসভায় ধাপে ধাপে আধুনিক ম্যাটেরিয়াল রিকভারি ফ্যাসিলিটি (এমআরএফ) সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘এসব এমআরএফ সেন্টারে বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ সংগ্রহ, প্লাস্টিক রিসাইক্লিং, জৈব বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন এবং পর্যায়ক্রমে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে বর্জ্যকে শুধু অপসারণ নয়, অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তরের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
পরিমল সরকার আরো বলেন, ‘দেশের ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে যেসব পৌরসভায় এখনো ডাম্পিং স্টেশন বা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় জমি নেই, সেখানে খাস জমি বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে দ্রুত এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের লক্ষ্য শুধু ময়লা-আবর্জনা অপসারণ নয়, বরং একটি পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এমআরএফ সেন্টারগুলো চালু হলে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেলার প্রবণতা কমবে, পরিবেশ দূষণ হ্রাস পাবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং নগরবাসী একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাবে।’
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশের পৌরসভাগুলোতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যাবে এবং বাংলাদেশ বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের নতুন যুগে প্রবেশ করবে।’