শিরোনাম

\ সুলতান মাহমুদ \
নড়াইল, ১৯ মে, ২০২৬ (বাসস) : জেলায় আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৪৯৭টি গবাদি পশু। জেলায় কোরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ৩৯ হাজার ৭৩৩টি গবাদিপশু। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ৫ হাজার ৭৬৪টি উদ্বৃত্ত পশু অন্য জেলায় পাঠানো যাবে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সদর উপজেলায় ১৫ হাজার ৮৬৮টি পশু প্রস্তুত করা হলেও কোরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ১৪ হাজার ১৩৩টি গবাদি পশু। এ উপজেলায় উদ্বৃত্ত গবাদি পশুর সংখ্যা ১ হাজার ৭৩৫টি। লোহাগড়া উপজেলায় ১৩ হাজার ৬০৯টি গবাদি পশু প্রস্তুত করা হলেও কোরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ১২ হাজার ২শ’টি গবাদি পশু। এ উপজেলায় উদ্বৃত্ত পশুর সংখ্যা ১ হাজার ৪শ’৯ টি। কালিয়া উপজেলায় ১৬ হাজার ২০টি পশু প্রস্তুত করা হলেও কোরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ১৩ হাজার ৪শ’টি গবাদি পশু। এ উপজেলায় উদ্বৃত্ত গবাদি পশুর সংখ্যা ২হাজার ৬২০টি।গৃহস্থালি থেকে শুরু করে খামারিরা এসব গরু-ছাগল লালন-পালন করেছেন।
ইতোমধ্যে নড়াইল জেলার সদর, লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার ১০টি হাটে কোরবানির গবাদি পশু বেচাকেনা জমে উঠেছে। সদর উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের গরুর খামারি মো: রিপন মিনা, কালিয়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের হিমু শেখ ও আজবাহার বিশ্বাসসহ একাধিক বিক্রেতা জানান, এ বছর গরুর দাম এখন পর্যন্ত তুলনামূলক কম। ছাগলের দাম মোটামুটি ভালো।
খড়রিয়া গ্রামের মিনাপাড়ার ‘রাহুল-রিয়া অ্যাগ্রো ফার্ম’র মালিক মো: রিপন মিনা বাসসকে জানান,আসন্ন কোরবানি উপলক্ষে তার খামারে ২০ থেকে ২২টি গরু প্রস্তুত করা হয়েছে।এই খামারে ২৫ মণ ওজনের বিশাল আকৃতির গরু ‘বাহুবলি’র দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা।এছাড়া অ্যাগ্রো ফার্মের প্রতিটি গরুর দাম ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খড়, খৈল, ভুষি, ঘাস খাইয়ে এই খামারের গরুগুলিকে বড় করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে কোরবানির হাটে মোটামুটি সাশ্রয়ী দামে কোরবানির পশু কিনতে পেরে খুশি স্থানীয় ক্রেতারা।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: রাশেদুল হক জানান, নড়াইলে খামারসহ গৃহস্থালি বাড়িতে যেসব গরু-ছাগল লালন-পালন করা হয়েছে, তা স্বাভাবিক খাবারের মাধ্যমে বড় করা হয়েছে।কোন ধরনের বিষাক্ত খাবার যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর খামারিরা তাদের গবাদিপশুকে তা খাওয়াচ্ছে কি না সে ব্যাপারে প্রাণি সম্পদ বিভাগ মনিটরিং অব্যাহত রেখেছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পশুহাটগুলোতে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম উপস্থিত থেকে নিয়মিতভাবে তদারকি করছে।
নড়াইল, ১৯ মে, ২০২৬ (বাসস) : জেলায় আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৪৫ হাজার ৪৯৭টি গবাদি পশু। জেলায় কোরবানি পশুর চাহিদা রয়েছে ৩৯ হাজার ৭৩৩টি গবাদি পশু। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ৫ হাজার ৭৬৪টি উদ্বৃত্ত পশু অন্য জেলায় পাঠানো যাবে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সদর উপজেলায় ১৫ হাজার ৮৬৮টি পশু প্রস্তুত করা হলেও কোরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ১৪ হাজার ১৩৩টি গবাদি পশু। এই উপজেলায় উদ্বৃত্ত গবাদি পশুর সংখ্যা ১ হাজার ৭৩৫টি। লোহাগড়া উপজেলায় ১৩ হাজার ৬০৯টি গবাদি পশু প্রস্তুত করা হলেও চাহিদা রয়েছে ১২ হাজার ২শ’টি গবাদি পশু। এই উপজেলায় উদ্বৃত্ত পশুর সংখ্যা ১ হাজার ৪শ’৯ টি। কালিয়া উপজেলায় ১৬ হাজার ২০টি পশু প্রস্তুত করা হলেও চাহিদা রয়েছে ১৩ হাজার ৪শ’টি গবাদি পশু। এই উপজেলায় উদ্বৃত্ত গবাদি পশুর সংখ্যা ২হাজার ৬২০টি। গৃহস্থালি থেকে শুরু করে খামারিরা এসব গরু-ছাগল লালন-পালন করেছেন।
ইতোমধ্যে নড়াইল জেলার সদর, লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার ১০টি হাটে কোরবানির গবাদি পশু বেচাকেনা জমে উঠেছে। সদর উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের গরুর খামারি মো. রিপন মিনা, কালিয়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের হিমু শেখ ও আজবাহার বিশ্বাসসহ একাধিক বিক্রেতা জানান, এ বছর গরুর দাম এখন পর্যন্ত তুলনামূলক কম। ছাগলের দাম মোটামুটি ভালো।
খড়রিয়া গ্রামের মিনাপাড়ার ‘রাহুল-রিয়া অ্যাগ্রো ফার্ম’র মালিক মো. রিপন মিনা বাসস’কে জানান, আসন্ন কোরবানি উপলক্ষে তার খামারে ২০ থেকে ২২টি গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। এই খামারে ২৫ মণ ওজনের বিশাল আকৃতির গরু ‘বাহুবলি’র দাম হাঁকা হচ্ছে ১০লাখ টাকা।
এছাড়া অ্যাগ্রো ফার্মের প্রতিটি গরুর দাম ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খড়, খৈল, ভুষি, ঘাস খাইয়ে এই খামারের গরুগুলোকে বড় করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে কোরবানির হাটে মোটামুটি সাশ্রয়ী দামে কোরবানির পশু কিনতে পেরে খুশি স্থানীয় ক্রেতারা।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুল হক জানান, নড়াইলে খামারসহ গৃহস্থালি বাড়িতে যেসব গরু-ছাগল লালন-পালন করা হয়েছে, তা স্বাভাবিক খাবারের মাধ্যমে বড় করা হয়েছে।
কোনো ধরনের বিষাক্ত খাবার যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর খামারিরা তাদের গবাদি পশুকে তা খাওয়াচ্ছে কি-না সে ব্যাপারে প্রাণিসম্পদ বিভাগ মনিটরিং অব্যাহত রেখেছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পশুহাটগুলোতে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম উপস্থিত থেকে নিয়মিতভাবে তদারকি করছে।