শিরোনাম

ঢাকা, ২ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস): বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে ছিল র্যালি, সেমিনার, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা আয়োজন। দিবসটিতে অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্মান, অধিকার এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
‘অটিজম ও মানবতা-প্রতিটি জীবনেরই মূল্য আছে’ এই স্লোগান নিয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচীতে বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, ইনস্টিটিউট অব প্যাডিয়াট্রিক নিউরো ডিজঅর্ডার এন্ড অটিজম (ইপনা) এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দা তাবাসসুম আলম, শিশু নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কানিজ ফাতেমা, শিশু নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডু, সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক ডা. বিকাশ চন্দ্র পাল, সহকারী অধ্যাপক ডা. সানজিদা আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস সহ শিশু নিউরোলজি বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, ছাত্রছাত্রী, ইপনার চিকিৎসক, কর্মকর্তাবৃন্দ, মনোবিজ্ঞানী, নিউট্রিশনিস্ট, চাইল্ড ডেভলপমেন্ট থেরাপিস্ট, কাউন্সিলর ইন্সট্রাক্টর, অটিজম স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিশ্বে আগে যেখানে শতকরা ১.৭ জন শিশু অটিজমে আক্রান্ত ছিল বর্তমানে এ হার তিন শতাংশ। তাই এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ২০১৪ সালের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে প্রতি দশ হাজারে ১৭ জন শিশু অটিজমে আক্রান্ত।
বক্তারা গর্ভবতী অবস্থাতেই মা ও অনাগত নবজাতকের যত্ন ও চিকিৎসার উপর গুরুত্ব দেন।
তারা, আগেভাগে রোগ নিণর্য়, সঠিক ব্যবস্থাপনা, শিশুদের মানসিক বিকাশে সহায়তা, অটিজম আক্রান্তদের শিক্ষা ও সামাজিকভাবে পুনর্বাসন, অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, শিশুদের একাকিত্ব দূরীকরণ, গণমাধ্যমের প্রচার প্রচারণামূলক কার্যক্রম ইত্যাদি কর্মসূচি জোরদারের তাগিদ দেন।
অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিরা যেন সম্মান, অধিকার এবং সমান সুযোগ পায়, সেটিই এই দিনের মূল বার্তা। এই দিবসটি শেখায় যে, প্রতিটি মানুষই অনন্য এবং মূল্যবান। অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়; বরং এটি ভিন্ন এক সক্ষমতা, যা সঠিক সহায়তা ও ভালোবাসা পেলে সমাজের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে। বিশ্বজুড়ে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এই দিনে সচেতনতা বৃদ্ধি, বৈষম্য দূরীকরণ এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।