বাসস
  ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:০৮

এপ্রিল মাসের জন্য এলপিজি’র মূল্য সমন্বয় করল বিইআরসি

প্রতীকী ছবি

ঢাকা, ২ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : ভোক্তা পর্যায়ে এপ্রিল মাসের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

সমন্বিত মূল্য অনুযায়ী ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা। গত মাসে যা ১ হাজার ৩৪১ টাকা। 

সমন্বয়কৃত মূল্য আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিইআরসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ নতুন দাম ঘোষণা করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।

নতুন মূল্য কাঠামো অনুযায়ী, উৎপাদক বা কোম্পানি পর্যায়ে বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা, ডিস্ট্রিবিউটর পর্যায়ে ১ হাজার ৬৮৩ টাকা ও খুচরা পর্যায়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা।

বিইআরসি ঘোষিত নতুন দামে বিভিন্ন ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্যও সমন্বয় করা হয়েছে। 

এর মধ্যে ৫ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডার ৭৯২ টাকা, ১২ দশমিক ৫ কেজি ১ হাজার ৮০১ টাকা, ১৫ কেজি ২ হাজার ১৬১ টাকা, ১৬ কেজি ২ হাজার ৩০৫ টাকা, ১৮ কেজি ২ হাজার ৫৯৩ টাকা ও ২০ কেজি ২ হাজার ৮৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩ হাজার ১৬৯ টাকা, ২৫ কেজি ৩ হাজার ৬০১ টাকা, ৩০ কেজি ৪ হাজার ৩২১ টাকা, ৩৩ কেজি ৪ হাজার ৭৫৩ টাকা, ৩৫ কেজি ৫ হাজার ৪১ টাকা এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৪২৮ টাকা।

একইসঙ্গে অটোগ্যাসের মূল্য লিটার প্রতি ৬২ দশমিক ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৯ দশমিক ৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সরকারি এলপিজি (১২ দশমিক ৫ কেজি) সিলিন্ডারের দাম আগের মতোই ৭৭৬ দশমিক ৯৩ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

বিইআরসি’র চেয়ারম্যান জানান, দেশে এলপিজি’র সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার তদারকি জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাজার পর্যবেক্ষণ আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে মাসিক এলপিজির চাহিদা প্রায় ১ দশমিক ৫ লাখ মেট্রিক টন। 

সাম্প্রতিক সময়ে আমদানির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে, যা সরবরাহ পরিস্থিতির জন্য ইতিবাচক।

জালাল আহমেদ আরও বলেন, নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে কোনো পর্যায়ে এলপিজি ও অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না। নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মূল্য নির্ধারণ অনুষ্ঠানে কমিশনের সদস্য মো. মিজানুর রহমান, মো. আব্দুর রাজ্জাক, সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহিদ সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।