শিরোনাম

চট্টগ্রাম, ২ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি করা এলসিএল (লেস দ্যান কনটেইনার লোড) কার্গোর জট সৃষ্টি হওয়ায় দ্রুত ডেলিভারি নিতে তৈরি পোশাক খাতের দুই শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র প্রতি আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে গত ২৮ মার্চ এ চিঠি পাঠায় বন্দর কর্তৃপক্ষ।
দুই সংগঠনে বন্দর কর্তৃপক্ষের সহ টার্মিনাল ম্যানেজার রাজীব চৌধুরীর সই করা চিঠিতে বলা হয়, ১৪টি সিএফএস (কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন) বা শেড এলসিএল কার্গোতে পূর্ণ হয়ে গেছে। এর মধ্যে অধিকাংশ পণ্যই বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর আমদানি করা।
এলসিএল কার্গোর জট সৃষ্টি হওয়ায় বন্দরের কার্যক্রমে চাপ বাড়ছে জানিয়ে বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব সিএফএস/শেড থেকে পণ্য ডেলিভারি না হওয়ায় নতুন করে আসা কনটেইনার খালাসে জটিলতা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে আনস্টাফিংয়ের অপেক্ষায় থাকা প্রায় ৭৮০ টিইইউএস কনটেইনার থেকে এলসিএল কার্গো খালাস করে সংরক্ষণ করার মতো পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না।
এ অবস্থায় বন্দরের ভেতরে থাকা আমদানি করা পণ্য দ্রুত খালাসে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, পণ্য ডেলিভারি সহজ করতে শুক্র, শনি ও রোববারসহ সরকারি ছুটির দিনেও ২৪ ঘণ্টা (২৪/৭) সিএফএস কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে, তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে সিএফএস/শেডে থাকা এলসিএল কার্গো ডেলিভারি নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দ্রুত পণ্য খালাসের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা এবং দেশের বাণিজ্যিক সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে সবার সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।