শিরোনাম

ঢাকা, ৩১ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং গণহত্যা দিবস স্মরণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে বাংলা একাডেমি।
আজ একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি ও সাংবাদিক আতাহার খান, গবেষক ও কথাসাহিত্যিক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী এবং লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
মো. সেলিম রেজা বলেন, স্বাধীনতা আমাদের রক্তার্জিত ফসল। লাখ লাখ মানুষের ত্যাগে আজকের এই প্রিয় বাংলাদেশ। তাই স্বপ্নের স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে আমাদের দৃঢ় শপথ নিতে হবে।
আলোচকবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে এ দেশের সাধারণ মানুষদের আত্মত্যাগ সবচেয়ে বেশি ছিল, কিন্তু তাদের কথা আমরা কমই মনে রেখেছি। পাকিস্তানি হানাদারদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের জনমানুষ যে সুদীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধকে রূপান্তরে পরিণত করেছে, তা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণে রাখতে হবে।
তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের নয়মাস-জুড়ে এদেশের মানুষের বিরুদ্ধে যে ভয়াবহ গণহত্যা চালানো হয়েছে তার প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। সেই সঙ্গে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা গণনা করার কাজও অগ্রসর করতে হবে যেন মুক্তিযুদ্ধের নাম ব্যবহার করে কেউ অন্যায়ভাবে সুবিধা লাভ করতে না পারে।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, স্বাধীনতার জন্য বাংলার মানুষের লড়াই একদিনের নয়, সুদীর্ঘ সময়ের। আর শুধু নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের জন্য নয় বরং আর্থসামাজিক ও সর্বাত্মক মুক্তির জন্য মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আজ স্বাধীনতার পঞ্চান্ন বছর পেরিয়ে স্বদেশের স্বাধীনতার বেদিমূলে প্রাণদানকারী শহিদের স্বপ্নকে সফল করতে আমাদের সবাইকে নতুন করে প্রতিজ্ঞা নিতে হবে।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স¦রচিত কবিতা পাঠ করেন লিলি হক, আবৃত্তি পরিবেশন করেন শারমিন সুলতানা ইসলাম। দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশন করেন পিয়াল হাসান এবং নাজিফা ইবনাত কবির।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির সহ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মাহবুবা রহমান।