শিরোনাম

ঢাকা, ৩১ মার্চ, ২০২৬ (বাসস): দেশে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় মতবিনিময় সভা ও যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় নৌ পরিবহণ অধিদপ্তর এবং চট্টগ্রাম বন্দরের সমন্বয়ে গত ১ মার্চ থেকে বাণিজ্যিক ও লাইটার জাহাজে যৌথ অভিযান চালাচ্ছে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোন।
এ প্রেক্ষিতে জ্বালানি পরিবহন, সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণের উদ্দেশে আজ চট্রগ্রামে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির লক্ষ্যে জ্বালানি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে তেল সংগ্রহ করে তা নির্ধারিত স্থানে সরবরাহ না করে, চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গর ও কর্ণফুলী নদীতে বিভিন্ন লাইটার জাহাজে অবৈধভাবে মজুত করে রাখছে।
তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনীতি সচল রাখার পাশাপাশি সামুদ্রিক ও উপকূলীয় এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অগ্রাধিকার।
এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়, তথ্যের আদান-প্রদান এবং বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ অপরিহার্য।
মতবিনিময় সভায় বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব, স্থানীয় পর্যায়ে এর প্রতিফলন এবং সমুদ্র ও নদীপথে জ্বালানি পরিবহন ও সরবরাহের বর্তমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ সঠিকভাবে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং কোস্ট গার্ডকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, বাংলাদেশ বাংকার সাপ্লাই অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানিসহ জ্বালানি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।