শিরোনাম

ঢাকা, ১৮ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের কোচ লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
আজ বুধবার ট্রেনটি ঢাকা থেকে চিলাহাটির উদ্দেশ্যে সকাল পৌনে ৭টায় ছেড়ে যায়। সান্তাহার স্টেশন পার হয়ে তিলকপুর স্টেশনের দিকে যাওয়ার সময় কশান সিগন্যাল অনুসরণ না করায় বগুড়া জেলার আদমদিঘি উপজেলার বাগমারি এলাকায় ৯টি কোচ লাইনচ্যুত হয়। এতে আহত হন ৬৬ জন। এরমধ্যে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ২০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে, ৪০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে এবং ছয়জনকে বগুড়া আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
ঈশ্বরদি ও পার্বতীপুর থেকে উদ্ধার কাজ চালানোর জন্য রিলিফ ট্রেন যাচ্ছে।
দুর্ঘটনার প্রাক্কালে প্রকৌশল বিভাগের লোকজন ব্যানার ফ্ল্যাগ ধরে ও কশান মেসেজ দিয়ে রেল চেঞ্জের কাজ করছিল। স্টেশন হতেও কশান অর্ডার দেয়ার কথা। তা লোকো ড্রাইভার অনুসরণ না করায় ডিরেইলমেন্টের কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রধান পরিবহন কর্মকর্তার নেতৃত্বে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- যন্ত্র প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান সংকেত প্রকৌশলী।
ঢাকা থেকে আজ সন্ধ্যায় ও রাত্রে ছাড়বে এরকম সবগুলো ট্রেন বের হয়ে এসেছে। শুধু পঞ্চগড় এক্সপ্রেস সেকশন ক্লিয়ার না হলে আসতে পারবে না।
চিলাহাটি এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে সঠিক সময়ে ছাড়া সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে উদ্ধার কার্যক্রম সমাপ্ত হলে এগুলোর কোনটিই বাধাপ্রাপ্ত হবে না।
যদি উদ্ধারকাজ শেষ নাও হয়, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস সান্তাহার থেকে বিকল্প পথে কুড়িগ্রাম প্রেরণ করা যেতে পারে। উদ্ধারকাজ শেষ না হলে সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া দ্রুতযানও পথিমধ্যে আটকা পড়তে পারে।
আগামীকাল সকালে ঢাকা থেকে ছাড়ার নীলসাগর এক্সপ্রেস ও একতা এক্সপ্রেস কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।
যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য রেল কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।