বাসস
  ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ২১:৩০

বৃহত্তর রংপুরের ৪ জেলায় ৭৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

ছবি : বাসস

রংপুর, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং শান্তি বজায় রাখার জন্য বৃহত্তর রংপুরের চার জেলায় ৭৪ প্লাটুনে ৩ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

আজ শনিবার মহানগরীর পার্ক মোড় এলাকায় বিজিবি চেকপোস্ট পরিদর্শনের পর বিজিবি’র রংপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এসএম শফিকুর রহমান স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য জানান।

বিজিবি কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিজিবি রংপুর সেক্টরের আওতাধীন বৃহত্তর রংপুরের রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা জেলার ২৬টি বেস ক্যাম্পে ৭৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

‘নির্বাচনী এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা এবং চেকপোস্ট স্থাপনসহ বিজিবি সদস্যরা একটি মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে। বিজিবি এই জেলাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার দিকে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে,’ তিনি বলেন।

এসএম শফিকুর রহমান বলেন, বিজিবি মূলত একটি মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে।

নির্বাচনী এলাকায় নিরাপত্তা প্রদানের জন্য তল্লাশি অভিযান চলছে। এছাড়াও ঝুঁকি বিবেচনা করে বিভিন্ন স্থানে ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করা হয়েছে। টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারিও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশে ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির র‌্যাপিড অ্যাকশন এবং কুইক রেসপন্স ফোর্স যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত।

কর্নেল শফিকুর রহমান বলেন যে, ড্রোন, বডি ক্যামেরা এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মতো ডিজিটাল সেন্সরের মাধ্যমে বিজিবি তার কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি করেছে।

‘বিজিবি সীমান্তের সজাগ প্রহরী। আমরা জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করতে চাই। তাই, জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করবে,’ তিনি বলেন।

তিনি আরও বলেন, বৃহত্তর রংপুরের চারটি জেলায় ২ হাজার ৫৭২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ৬০০টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র।

‘এই কেন্দ্রগুলোতে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। এছাড়াও, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজিবি সমন্বয় দলের প্রতিনিধিরা কাজ করছেন। যেকোনো ঘটনা ঘটলেই আমরা সেখানে পৌঁছাতে সক্ষম হব,’ তিনি আরও বলেন।