বাসস
  ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:১৯
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:২৭

আওয়ামী লীগ গণহত্যাকারী ফ্যাসিবাদী ও মাফিয়া শক্তি: সালাহউদ্দিন আহমদ

আজ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়িতে এক নির্বাচনী জনসভায় কথা বলেন কক্সবাজার-১ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: বাসস

কক্সবাজার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি গণহত্যাকারী, ফ্যাসিবাদী ও মাফিয়া শক্তি। আওয়ামী লীগের কখনোই প্রকৃত রাজনৈতিক চরিত্র ছিল না।

আজ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়িতে এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের শহীদ আবদুল হামিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভাকে ঘিরে ব্যাপক জনসমাগম ঘটে। প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে মানুষ মাঠে ও আশপাশের ভবনের ছাদেও অবস্থান নেয়।

জনসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যারা এখনো আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভূতিশীল, তাদের স্বাধীনতাপন্থী শক্তির পাশে থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি, বরং দেশকে ভারতের করদ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং ভারতের দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, যারা আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের ভুল এখন নিশ্চয়ই ভেঙেছে। তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করবেন-এটাই প্রত্যাশা।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, শেখ হাসিনা একা পালিয়ে গেলেও তার সব কর্মী দেশ ছাড়তে পারেনি। সবার তো আর দিল্লি যাওয়ার সুযোগ হয়নি। দেশে যারা রয়ে গেছেন-আমাদের অনেক ভাই-বন্ধু, তারা রাজনীতি করতে পারেন, সেটি তাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা।

ধর্মের দোহাই দিয়ে একটি দল ভোট চাইছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ জান্নাতের বাহনা দিচ্ছে-এতে যেন কেউ বিভ্রান্ত না হন।’

দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তিনি ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

বমুবিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এ জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, বমুবিলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।