শিরোনাম

ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন জোরদারে দেশি-বিদেশি পাঁচটি শিক্ষা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বাপশক)।
আজ সোমবার সকালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সদর দপ্তরের মিনি অডিটোরিয়ামে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, প্রিমিয়ার মিনারেলস লিমিটেড এবং অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিমিলিটিউড পিটি লিমিটেড।
স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ গবেষণা কার্যক্রম, ল্যাবরেটরি ও প্রশিক্ষণ সুবিধার যৌথ ব্যবহার এবং অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতা জোরদার করা হবে।
এছাড়া, সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাপশক-এর যশোর ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) এবং যবিপ্রবির মধ্যে মেডিকেল ইমেজিং, রেডিওফার্মাসিউটিক্যালস, রেডিয়েশন থেরাপি, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি খাতে যৌথ গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে, অস্ট্রেলিয়ার সিমিলিটিউড পিটি লিমিটেডের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে মেডিসিনাল ম্যাগট থেরাপি কর্মসূচি বাস্তবায়ন, পাইলট উৎপাদন সুবিধা স্থাপন এবং স্বাস্থ্যখাতের পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও, সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত অস্ট্রেলিয়ান প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়ার মিনারেলস লিমিটেডের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় উপকূলীয় ভারী খনিজ সম্পদ উত্তোলনের লক্ষ্যে গবেষণা ও ভূতাত্ত্বিক জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর মাধ্যমে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন এবং প্রয়োগভিত্তিক ভূবিজ্ঞানে জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
এই সমঝোতা স্মারকগুলো স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবন উৎসাহিতকরণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে বাস্তব প্রয়োগে রূপান্তরের ক্ষেত্রে পরমাণু শক্তি কমিশনের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটবে বলে জানানো হয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন প্রধান অতিথির বক্তব্যে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি গবেষণালব্ধ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের বাণিজ্যিকীকরণের ওপর জোর দেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মো. মজিবুর রহমান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অংশীদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, স্পারসোর চেয়ারম্যান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার প্রধান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং কমিশনের বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা।