বাসস
  ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৪৩
আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৪৬

কারাগার হবে বিপথগামীর জন্য সংশোধনাগার: কারা মহাপরিদর্শক

ছবি : বাসস

রাজশাহী, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেছেন, আমাদেরকে নীরবে কাজ করতে হয়। আমরা বিশ্বাস করি কারাগার হবে একজন বিপথগামীর জন্য সংশোধনাগার। 

তিনি বলেন, আশা করি এ দায়িত্ব পালনে কারারক্ষীরা সদা সচেষ্ট থাকবে এবং নিজেদের সর্বোচ্চ ত্যাগ দিয়ে তা যথাযথভাবে পালনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার উপর আস্থা রেখে দায়িত্ব পালনে এগিয়ে যেতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৬৩তম ব্যাচ কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে নবীন কারারক্ষীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি।

সাফল্যের সঙ্গে কঠোর প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করা কারারক্ষীদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুনভাবে পথচলার আহ্বান জানিয়ে মহাপরিদর্শক বলেন, কারা বিভাগ বাংলাদেশের একটি সুপ্রাচীন প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে বাংলাদেশ জেল এর যাত্রা শুরু হয়। যার ধারাবাহিকতায় বর্তমান সময়ে এসে বাংলাদেশ জেল একটি স্বচ্ছ এবং সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠার চেষ্টা করছে, যার মূল লক্ষ্য হলো বন্দীদের সংশোধন করে আলোর পথ দেখানো।

কারারক্ষীর জীবন শুধু একটি চাকুরি নয়, এটি একটি সুবিন্যাস্ত জীবনব্যবস্থা-এ কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, তোমরা এ পর্যন্ত যে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছ, তা ছিল কারারক্ষী জীবনে পদার্পণ করার জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণ মাত্র। বিশেষত আজকের এই চৌকষ কুচকাওয়াজ তোমাদের দৃঢ় প্রত্যয় ও যোগ্যতার পরিচয় বহন করে। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি এই উদ্যম আগামী দিনগুলোতেও বজায় রাখার এবং নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রের পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিয়ে চলার আহ্বান জানান।

সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সর্বমোট ৬৮৭ জন কারারক্ষী অংশ নেন। এর মধ্যে সার্বিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠ নবীন কারারক্ষী মো. তানভীন আহমেদ, ড্রিল এ মো. রাকিব মিয়া, পিটিতে মো. বাপ্পি হোসেন এবং ফায়ারিং এ দ্বিপংকর দাস, অস্ত্রবিহীন যুদ্ধে মো. রনি হোসেন এবং একাডেমিক এ মো. রিয়ন ইসলাম রোকন শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।