বাসস
  ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩:২৪

পাটের অবৈধ মজুদ বন্ধে মাদারীপুর ও টাঙ্গাইলে অভিযান 

ঢাকা, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): মাদারীপুর ও টাঙ্গাইলে অবৈধভাবে পাট মজুদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পাট অধিদপ্তর। 

আজ বুধবার অভিযানে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার তিনটি প্রতিষ্ঠান বিগবটম লিমিটেড, এসএস ট্রেডার্স এবং এসএসএস বিজনেস পার্ক লিমিটেডের ২৬ গুদামে মোট ৬৭ হাজার ৬৫৪ মন পাট মজুদ পাওয়া যায়।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ তিন প্রতিষ্ঠানের রপ্তানিকারক লাইসেন্স থাকলেও এখন পাট রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মজুদ করা পাট বিক্রয়ের আদেশ দেয়া হয়। 

এরপর টেকেরহাট পাট বাজার পরিদর্শন করে ব্যবসায়ী মোহাব্বত আলীর গুদামে ৩০০ মন, আমিনুলের গুদামে ২৫০ মন, মহাদেবের গুদামে ২৫০ মন, আজাদের গুদামে ৫০ মন, আবুল বাশার হাওলাদারের গুদামে ৫৮০ মন পাট মজুদ পাওয়া যায়। 

ওই ব্যবসায়ীদেরকে আগামী ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে মজুদ করা পাট বিক্রয়ের আদেশ দেয়া হয়। 

এসময় পাট অধিদপ্তরের ফরিদপুরের সহকারি পরিচালক মিজানুর রহমান এবং মাদারীপুরের  মুখ্য পরিদর্শক মো. জালাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। 

এছাড়াও টাংগাইলের মির্জাপুর উপজেলার জার্মুকী বাজার, কুর্নি,  সদর উপজেলার বরুহা বাজার, দেলদুয়ারের ছিলিমপুর বাজার, গোপালপুর উপজেলার কোনাবাড়ী বাজার, কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গাতে ব্যবসায়ীদের গুদামে ১০ মন থেকে ৫০০ মন পর্যন্ত পাট মজুদ পাওয়া গেছে। 

ওই ব্যবসায়ীদেরকে মজুদ করা পাট বিক্রির জন্য ৭ দিনের সময় দেয়া হয়েছে। 

অভিযানে  পাট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. ওমর ফারুক তালুকদার, টাংগাইল সদরের পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা আজমত আলী আকন্দ, সদর উপজেলার পাট উন্নয়ন সহকারী মো. রায়হান, কালীহাতি উপজেলার পাট উন্নয়ন সহকারী রমেশ চন্দ্র সূত্রধর, গোপালপুর উপজেলার পাট উন্নয়ন সহকারী জানে আলম উপস্থিত ছিলেন। 

এ বিষয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, “পাটের অবৈধ মজুদদারি বন্ধ করলে পাটজাত পণ্য তৈরিতে পাটের যোগান হবে, পাটখাত তথা দেশের রফতানি খাত লাভবান হবে। বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টার নির্দেশনাতে এ কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।”